মাঠের লড়াই সহজ ছিল না। শেষ ওভার পর্যন্ত লড়তে হল বিশ্বকাপে প্রথম জয় আনতে। চ্যালেঞ্জিং পুঁজি জমানোর পর নিজেদের উজ্জীবিত রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশ পরিকল্পনা ধরে করে গেছে বোলিং। সেটাই জানালেন ম্যাচসেরা ফাহিমা খাতুন। বললেন, একেবারেই নার্ভাস ছিলেন না।
‘প্রথমেই সর্বশক্তিমানকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সবসময়ই আমার দলের হয়ে খেলতে প্রস্তুত থাকি। আমি নার্ভাস ছিলাম না। পরিকল্পনা অনুযায়ী বোলিং করেছি এবং সফল হয়েছি।’
‘শুধু সঠিক জায়গায় বোলিং করেছি এবং সাফল্য এসেছে। এটা খুবই স্পোর্টিং উইকেট ছিল। আমি সত্যিই রোমাঞ্চিত এবং খুশি। আমার দলের হয়ে সবসময় পারফর্ম করতে চাই।’ ম্যাচ শেষে উচ্ছ্বাসমাখা কণ্ঠে বললেন লেগ স্পিনার ফাহিমা।
সোমবার পাকিস্তানকে ২৩৫ রানের লক্ষ্য দিয়ে একসময় ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিল বাংলাদেশ। কোণঠাসা হয়েও হাল ছাড়েনি, টিম টাইগ্রেসের পাল্টা থাবায় কুপোকাত প্রতিপক্ষ। ফল, ৯ রানের জয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিজেদের অভিষেক আসরে প্রথম উল্লাস এনেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।
জবাব দিতে নেমে শুরুতেই ম্যাচ বের করে নেয়ার পরিস্থিতি গড়েছিল পাকিস্তান। ১ উইকেটে তাদের সংগ্রহ ছিল ১৫৫ রান। এক পর্যায়ে যা ২ উইকেটে ১৮৩ রানে পৌঁছায়। এরপরই ৫ রানের মধ্যে তাদের ৫ উইকেট তুলে নেয় লাল-সবুজরা। পাকিস্তান হয়ে যায় ৭ উইকেটে ১৮৮।
উমাইমা সোহাইলকে সাজঘরে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে ধ্বংসস্তূপে ফেলার কাজটা ফাহিমার হাত দিয়েই শুরু হয়। পরে ম্যাচের ৪৪তম ওভারে পরপর দুই বলে আলিয়া রিয়াজ ও ফাতিমা সানাকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন টাইগ্রেস লেগি। হ্যাটট্রিকের আশা পূর্ণ হয়নি। তবে জয়ের আরও নিকটে চলে যায় দল।
টিম টাইগ্রেস যখন উইকেট পাওয়ার জন্য রীতিমতো সংগ্রাম করছিল, তখন সপ্তম বোলার হিসেবে ফাহিমাকে আক্রমণে আনেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা। ৮ ওভারে ৩৮ রান খরচায় ফাহিমার নেয়া ৩ উইকেট শেষে জয়ের কঠিন পথ করে দেয় মসৃণ।







