একটা ক্যাচ পুরো ম্যাচেরই মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। ক্রিকেটের একটা অতি পরিচিত কথা, ‘ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস’। কথাটা যদি আজকের জন্য সত্যি হয়, তাতে অন্তত আখেরে ক্ষতি বাংলাদেশের। কারণ, শ্রেয়াস আয়ারের যে ক্যাচ আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ফেলেছেন, তাতে ম্যাচটাই ভারতের হাতে চলে যায় কিনা দেখার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কারণ, নাগপুরের অপেক্ষাকৃত স্লো উইকেটে ভারতের করা ১৭৪ রান তাড়া করতে হবে বাংলাদেশকে। সঙ্গে আছে শিশির ফ্যাক্টরও।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে রোহিত শর্মাকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দিয়েছিলেন শফিউল ইসলাম। পরে শেখর ধাওয়ানকেও প্যাভিলিয়নের রাস্তা দেখিয়ে ভারতকে চাপে ফেলেন এ পেসার। শুধু চাপে নয়, ধাওয়ান ফেরার দুই বল বাদে একরকম খাদে পড়তে পারত ভারত। কিন্তু সেটা হয়নি বিপ্লবের হাত থেকে ক্যাচ ফসকে যাওয়ায়।
যে ওভারে ধাওয়ান ফেরেন সেই ওভারেই শফিউলের করা পঞ্চম বলে স্কয়ারকাট খেলতে গিয়েছিলেন নতুন ব্যাটসম্যান শ্রেয়াস আয়ার। বল ভালো টাইমিং না হওয়ায় সহজ ক্যাচ চলে যায় পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকা বিপ্লবের হাতে। একটু লাফিয়ে সেই ক্যাচ নিতে গিয়ে অবিশ্বাস্যভাবে ফেলে দেন বিপ্লব!
ক্যাচ মিসের সময় ভারতের স্কোর ছিল ৩৭। আর শ্রেয়াস ছিলেন এক রানে। পরে বেশ ধীরে ধীরে ব্যাট করতে থাকেন। একটা সময় পাঁচ বলে তিন, নয় বলে পাঁচ, এগারো বলে নয়, পনের বলে এগার এবং একুশ বলে আঠারো রানে ছিলেন শ্রেয়াস। সেই শ্রেয়াস যখন আউট হন, নামের পাশে দলীয় সর্বোচ্চ ৬২ রান। তাও ৩৩ বল খেলে। মারেন তিনটি চার ও পাঁচটি ছয়ের মার।
আউট হওয়ার আগে আগে কেএল রাহুলের সঙ্গে ৫৯ ও রিশভ পান্টের সঙ্গে ৪৫ রানের জুটি গড়েন শ্রেয়াস। ভারত শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে করে ১৭৪ রান। যাতে বড় অবদান শ্রেয়াসের। বিপ্লবেরও!








