মেয়র জরিমানা করার পরও রোজা শুরুর আগেরদিন তিন গুণ দামে বিক্রি হচ্ছে বেগুন। প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম। ক্রেতারা বলছেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজারে নিয়মিত মনিটরিং থাকা দরকার।
রাজধানীর হাতিরপুল বাজার পরিদর্শনে গিয়ে সকালে এক চাল ব্যবসায়ীকে কুড়ি হাজার টাকা জরিমানা করেন দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন। হুঁশিয়ারি দেন সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত দামের অতিরিক্ত নিলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
শুধু চাল নয়, অন্য সব নিত্যপণ্যের ক্ষেত্রেও হুঁশিয়ারি ছিল মেয়রের, বিশেষ করে খাদ্যপণ্যে। কিন্তু, মেয়রের হুঁশিয়ারির ৪ ঘণ্টা না যেতেই সিটি কর্পোরেশন নির্ধারিত দামের তিন গুণ দামে বিক্রি হয় রোজার মাসে মুখরোচক বেগুনি বানানোর বেগুন।
বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রমজানের একদিন আগে অনেক নিত্যপণ্যের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। টমেটো ৩০ টাকা থেকে বেড়ে প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, শসার দাম ১০ টাকা বেড়ে ৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতিকেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৫০ টাকা থেকে বেড়ে গাজর বিক্রি হচ্ছে ১শ টাকায়।
প্রতি হালি লেবু আগের সপ্তাহের তুলনায় দ্বিগুণ বেড়ে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি রুই ও কাতল মাছ ২০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, কই ২৪০ থেকে ৩০০ টাকা, টেংরা ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, শিং ৪৪০ টাকা থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রমজানে গরুর মাংসের দাম ৪৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রির কথা থাকলেও বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকায়। খাসির মাংস ৭২০ থেকে ৭৮০ টাকা, ফার্মের মুরগি ১৬৫ থেকে ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়াও রমজানের অতি দরকারী সামগ্রী ছোলা এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৭০ টাকা থেকে বেড়ে প্রতি কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা বলছেন, টিম গঠনের পাশাপাশি পন্যের দাম নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মনিটরিং দরকার। বিক্রেতারা বলছেন, খুচরা বাজারের আগে পাইকারী বাজার নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:







