মেসেঞ্জারে আড়িপাতার উপায় করে দিতে ফেসবুককে চাপ দিচ্ছে মার্কিন সরকার। তদন্তের জন্য মেসেঞ্জারে অপরাধীদের কথোপকথন শুনতে ফেসবুককে এনক্রিপশন বা তৃতীয় পক্ষের অনুপ্রবেশ ঠেকানোর দেয়াল ভাঙতে বলছে ট্রাম্প প্রশাসন।
তবে ফেসবুক এতো সহজে সরকারের কথায় রাজি হওয়ার পাত্র নয়। ইতোমধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল কোর্টে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে নেমেছে ফেসবুক। শুরু হয়েছে শুনানি। সরকারের নজরদারিতে সহায়তা করতে অস্বীকৃতি জানালে ফেসবুকের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হতে পারে।
এ বিষয়ে এখনো যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস ও ফেসবুক কোন মন্তব্য জানায়নি।
মার্কিন আদালতের রায় কী হবে সেটা বলা যাচ্ছে না। যদি সরকার জিতে যায় তাহলে ফেসবুক মেসেঞ্জারের মতো অন্যান্য সোশ্যাল অ্যাপের কথোপকথন-বার্তা চালাচালির মাধ্যমেও সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে নজরদারি-আড়িপাতার পথ সুগম হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভয়ংকর এক অপরাধী চক্র ‘এমএস-১৩’। এই গ্যাংয়ের অপরাধ তদন্ত করতেই ফেসবুকের মেসেঞ্জারে উঁকি দিতে চায় মার্কিন সরকার।
নৃশংস হত্যাকাণ্ডের একাধিক অভিযোগ থাকা গ্যাংটির সদস্যদের ‘পশু’ বলে মনে করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
উল্লেখ্য, অপরাধ তদন্তে এর আগেও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের দুর্ভেদ্য দেয়াল ভেঙেছে মার্কিন সরকার। ২০১৬ সালে এরকমই এক ঘটনায় মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিলো মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআই এবং অ্যাপল।
তখন সান বার্নার্ডিনো হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ইসলামিক স্টেটের জঙ্গি দম্পতির আইফোনে প্রবেশাধিকার চেয়েছিলো মার্কিন প্রশাসন। অ্যাপল তাতে রাজি হয়নি। ‘সোজা আঙুলে ঘি না ওঠায়, আঙুল বাঁকা করেই’ আইফোনে ঢুকেছিলো এফবিআই। আইফোনে ঢুকতে অ্যাপলের একজন কর্মীকে ব্যবহার করেছিলো মার্কিন তদন্ত সংস্থাটি।








