চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জুভেন্টাসের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন লিওনেল মেসি। পরের দিনই অ্যাপোয়েল নিকোশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল এসেছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর থেকে। ঠিক যেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে পাল্টা জবাব দিয়ে রাখলেন সিআর সেভেন। ক্যারিয়ারজুড়ে একে অপরের পরিপূরক হয়ে আছেন যেন সময়ের দুই ফুটবল কিংবদন্তি।
পরিসংখ্যান বলছে মেসি-রোনালদো প্রতিদ্বন্দ্বীতার আড়ালে একজন আরেকজনকে জ্বলে উঠতেও সাহায্য করছেন। আর্জেন্টাইন অধিনায়ক এক ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়াচ্ছেন তো পরের ম্যাচেই পর্তুগিজ অধিনায়ক করছেন হ্যাটট্রিক। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তো গায়ে গা লাগিয়ে চলছেন গোল সংখ্যায়।
ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে সবার আগে গোলের শতক পূর্ণ করেছেন রোনালদো। এখন পর্যন্ত তার গোল ১০৭টি। ৯৬ গোল নিয়ে পরেই আছেন মেসি। আর্জেন্টাইন অধিনায়ক আবার এগিয়ে অন্যদিক দিয়ে। প্রথম ফুটবলার হিসেবে কোন নির্দিষ্ট ক্লাবের হয়ে গোলের শতক পূরণ করতে তার লাগবে আর মাত্র চারটি গোল। এখানে পিছিয়ে নেই রোনালদোও। রিয়ালের জার্সি গায়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তার গোল হয়ে গেছে ৯২টি।
মিনিট প্রতি গোলের হিসাবেও রোনালদোর থেকে এগিয়ে মেসি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গড়ে প্রতি ১০০ মিনিটে একটি করে গোল করেছেন পাঁচবারের বিশ্বসেরা ফুটবলার। আর প্রতি ১১৪ মিনিটে গোল করে ঠিক পেছনেই আছেন সিআর সেভেন।
মিনিট হিসেবে গোলের সংখ্যায় লা লিগায় আবার এগিয়ে রোনালদো। ২৬৫ ম্যাচ খেলে ২৮৫টি গোল তার। গড়ে প্রতি ৮০ মিনিটে একটি করে গোল। ৩৮৫ ম্যাচ খেলে ৩৫৪টি গোল মেসির। প্রতিটি গোল ৮৭ মিনিট পরপর।
জাতীয় দলে দুজন দুদেশের সর্বোচ্চ গোল স্কোরার। ১১৪ ম্যাচে রোনালদোর গোল ৭৮টি আর ১১০ ম্যাচে মেসির গোল ৫৮টি।
ফিফা বর্ষসেরা পুরষ্কার হাতেও চলছে এই দুজনের দাপট। মেসির হাতে বর্ষসেরার ট্রফিটা উঠেছে পাঁচবার। সামনের জানুয়ারিতে হাতে ট্রফিটা উঠলে মেসিকে সেখানেও ছুঁয়ে ফেলবেন রোনালদো।
গোল অ্যাসিস্টে অবশ্য চিরপ্রতিপক্ষের তুলনায় অনেক পিছিয়ে পর্তুগিজ অধিনায়ক। সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোর ক্ষেত্রে মেসির অবদানটা ১৬০বার। আর রোনালদোর ৯০বার।
তবে এক জায়গায় দুই কিংবদন্তি কখনো কারও নিকটবর্তী হতে পারবেন না। সেটা হল হলো জার্সি নম্বরে। দুজনের জার্সি নম্বরই বিখ্যাত। মেসির চিরন্তন ১০, যেখানে রোনালদোর ৭!







