আলাদা লিগে খেললেও লড়াই জারি রেখে শনিবার মাঠে নেমেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং লিওনেল মেসি। ইতালিতে গোল না পেলেও দলের হয়ে জয় পেয়েছিলেন পর্তুগিজ তারকা। তবে স্পেনে শুরুটা রাজার মতই করেছেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। লিগ শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরুর ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন এলএম টেন। সঙ্গে গোলের দেখা পেয়েছেন ফিলিপে কৌতিনহোও। আর্জেন্টাইন-ব্রাজিলিয়ানের যুগলবন্দিতে আলাভেসকে ৩-০ গোলে হারিয় মৌসুম শুরু করেছে কাতালানরা।
সব মিলিয়ে চ্যাম্পিয়নের মতই শুরুটা করেছে বর্তমান শিরোপাধারীরা। ক্যাম্প ন্যুতে বার্সেলোনার জয়ে তিনটি গোলই হয় দ্বিতীয়ার্ধে। পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলারের দুটি প্রচেষ্টা পোস্টে না লাগলে ব্যবধান আরো বড় হতে পারত। গত মৌসুমের লিগ চ্যাম্পিয়ন ও গত সপ্তাহে সেভিয়াকে হারিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপ জেতা বার্সেলোনাকে ম্যাচের আগে ‘গার্ড অব অনার’ দেয় আলাভেস।
ম্যাচের শুরু থেকে একচেটিয়া বল দখলে রাখা বার্সেলোনা প্রথমার্ধে গোলের উদ্দেশে মোট ১১টি শট নেয়। বিপরীতে বল পেছনেই শুধু ছুটতে হয়েছে অতিথিদের।
গোল হতে পারতো তৃতীয় মিনিটেই; কিন্তু দুরূহ কোণ থেকে মেসির শট অল্পের জন্য হয় লক্ষ্যভ্রষ্ট। আর ৩৮ মিনিটে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের নেয়া ফ্রি-কিক ক্রসবারে লাগে। ফিরতি বলে জেরার্ড পিকের হেড উপর দিয়ে চলে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধেও অধিকাংশ সময় বল দখলে রাখা বার্সেলোনা গোলের দেখা পায় ৬৪ মিনিটে। নিচু ফ্রি-কিকে সামনে লাফিয়ে ওঠা খেলোয়াড়দের নিচ দিয়ে বল জালে পাঠান মেসি। লা লিগায় কাতালান ক্লাবটির এটি ৬ হাজারতম গোল। ২০০৯ সালে পাঁচ হাজারতম গোলটিও এসেছিল মেসির পা থেকে।
৮৩ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বদলি নামা কৌতিনহো। স্বদেশি মিডফিল্ডার আর্থারের পাস পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে এক জনকে কাটিয়ে জায়গা বানিয়ে ডান পায়ের জোরালো শটে গোলকিপারকে পরাস্ত করেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ব্যবধান আরো বাড়িয়ে জয় নিশ্চিত করেন মেসি।







