স্প্যানিশ লিগে পয়েন্ট হারাতে বসেছিল বার্সেলোনা। শীর্ষে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত অবশ্য ব্যবধানটা আর বাড়তে দেননি ‘ত্রাণকর্তা’ লিওনেল মেসি। ফুটবল জাদুকরের জোড়া গোলে লেগানেসকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে পূর্ণ পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছেড়েছে লুইস এনরিকের দল।
জোড়া গোলের দ্বিতীয়টি মেসির মৌসুমের ১৯তম লা লিগা সাফল্য এবং সর্বোচ্চ। ১৮ গোল নিয়ে পরেই আছেন সুয়ারেজ।
এই জয়ে ২৩ ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে এখন বার্সেলোনা। দুই ম্যাচ কম খেলে ৫২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ।
ন্যু ক্যাম্পে রোববার রাতে শুরুটা দুর্দান্ত হয় বার্সার। ম্যাচের চার মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। প্রথম গোলে লেগে থাকল এমএসএন-ত্রয়ীর ছোঁয়া। প্রথমে নেইমারের দারুণ এক পাস খুঁজে পায় লুইস সুয়ারেজকে। সুয়ারেজ বল ঠেলে দেন মেসির দিকে। তা থেকে প্রতিপক্ষের জালমুখ খুলতে ভুল করেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
ম্যাচের ২৮ মিনিটে সুয়ারেজের ক্রসে বল পেয়ে অবশ্য ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ হাতছাড়া করেন মেসি। প্রথমার্ধের শেষদিকে সুযোগ হারায় অতিথিরাও। গোলরক্ষক আন্দ্রে টের স্টেগেনের দৃঢ়তায় লেগানেস পেরে ওঠেনি সেসময়।
মধ্যবিরতির পর বার্সাকে দুদফা স্বস্তিতে থাকার সুযোগ করে দেয় টের স্টেগেন দৃঢ়তা। কিন্তু ৭১ মিনিটে আর পেরে ওঠেননি স্টেগেনও। দারুণ পাল্টা আক্রমণে জাল খুঁজে নিয়ে এসময় স্বাগতিক দর্শকদের স্তব্ধ করে দেন উনাই লোপেজ। সমতায় ফিরে যেন রক্ষণে জমে যান লেগানেসের খেলোয়াড়রা।
বাকি সময়টা আক্রমণের ধার বাড়িয়েও তাই গোল পাচ্ছিল না বার্সা। মনে হচ্ছিল পয়েন্টই হারিয়ে বসবে স্বাগতিকরা। তখনই ত্রাণকর্তা হয়ে আসেন মেসি। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে তিনি। প্রতিপক্ষ বক্সে নেইমার বাজেভাবে ফাউলের শিকার হলে বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি। সুযোগটা কাজে লাগিয়ে বার্সাকে হাসি ধরে রেখেই মাঠ ছাড়ার পথ করে দেন মেসি।








