শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটির হস্তক্ষেপ ছাড়াই মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগের দ্বার উন্মোচিত হলো এবার। শিক্ষকরা বলছেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এর সুফল পেতে শুরু করবে। আর শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, এখন থেকে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।
বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদেরকে শুধু সরকারি বেতনই নয়, অবসরে যাওয়ার পরও তাদের জন্য ভালো আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করেছে সরকার।
তবে শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি ছিল খোদ শিক্ষা মন্ত্রণালয়েরই। এ কারণে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয় কৃর্তপক্ষ-এনটিআরসিএ গঠন করে সরকার। প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আয়োজিত প্রথম পরীক্ষার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা।
পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন, আগের নিয়োগ পরীক্ষার ওই সাইকেল থেকে বাঁচা গেছে। এখনকার নিয়োগ খানিকটা হলেও স্বচ্ছ হবে।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, আমরা পরীক্ষা নিচ্ছি। অনেকে অনেক অভিযোগের কথা বলছে সেসব আস্তে আস্তে সমাধান করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, পুরোপুরি অনলাইন প্রক্রিয়ায় হওয়ায় দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই এখানে। এখান থেকে যিনি নির্বাচিত হবেন তাকেই এপয়েন্টমেন্ট দিতে হবে। কমিটির কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না।
শিক্ষকরাও বলছেন, প্রভাবমুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা মানসম্মত শিক্ষা পাবে। আগে মন্ত্রী এমপির আত্মীয়দের তদবিরের চাপ ছিলো, এখন আর সেটা থাকছে না। আপনি ভালো পরীক্ষা দিবেন, ভালো শিক্ষক হবেন।
এবার সারাদেশ থেকে প্রাথমিক বাছাইয়ে অংশ নেওয়া ৬ লাখ ২ হাজার ৫৩৩ জন প্রার্থীর মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৬২ জন। এর মধ্যে চাহিদা অনুযায়ী নিয়োগ পাবে ১৫ হাজার প্রার্থী।







