তখন দুপুর প্রায় ১২টা। মোবাইল ফোন বেজে উঠলে মনিটরে বিদেশী নম্বর দেখে চমকে উঠেন দু’ মাস ধরে আশা-নিরাশায় থাকা হাসিনা আহমেদ।
ভারতের মেঘালয়ের নিম হ্যান্স হসপিটাল থেকে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর যার কথা জানানো হয় তার জন্যই ৬২ দিন ধরে অপেক্ষায় ছিলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমেদের স্ত্রী।
কথা বলার পরপরই হাসিনা আহমেদ ছুটে যান বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবনে। জানান, তার স্বামী বেঁচে আছেন।
পরে গুলশানেই সালাহ উদ্দিন আহমেদের বাসার নিচতলায় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন হাসিনা আহমেদ।
সাংবাদিকদের টেলিফোনে কথোপকথনের বিস্তারিতও গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছে তিনি আরও বলেন, আমার স্বামী ভালো আছে। খুব দ্রুতই তিনি আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। টেলিফোনে সালাহ উদ্দিন ছিলেন কি না এমন প্রশ্নে স্ত্রী হাসিনা বলেন, আমি সালাহ উদ্দিনের গলার আওয়াজ চিনি। টেলিফোনে আমি সালাহ উদ্দিনের সঙ্গেই কথা বলেছি।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভিসা প্রক্রিয়া সেরে দ্রুতই সালাহ উদ্দিন আহমেদকে ফিরিয়ে আনতে ভারতের আসাম রাজ্যের মেঘালয় যাচ্ছেন তারা। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই তারা সালাহ উদ্দিন আহমেদের জন্য অপেক্ষায় আছেন।
নিরাপত্তাকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, ১০ মার্চ রাতে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের একটি বাড়ির দোতলা থেকে কয়েক ব্যক্তি বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিন আহমেদকে ধরে নিয়ে যায়। এজন্য আইন-শৃঙ্খলা-বাহিনীকে দায়ী করে আসছিলো তার পরিবার।






