আকাশজুড়ে মেঘ করেছে। চারদিকে একটা শীত-শীত ভাব। পূর্বাভাসে সারা দিনে থেকে থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা। এমনিতে চতুর্থদিন, তার ওপর আবার ১৮২ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ। সাতসকালে লঙ্কানদের আটকাতে না পারলে ম্যাচ বেরিয়ে যাওয়ার শঙ্কা থাকবে। সেই শঙ্কা মাথায় নিয়েই মাঠে নামছে মুশফিকের দল।
তৃতীয়দিন সকালে দ্রুত ফিরে যান আগের দিনের অপরাজিত ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার (৭১)। সৌম্যকে লেগ স্টাম্পের উপরে শর্ট বল করেছিলেন সুরাঙ্গা লাকমাল। প্রথম ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন। কী মনে করে শেষ মুহূর্তে ব্যাট দিতে যান। অলস এই শটের খেসারত দেন ফাইনলেগে ধরা পড়ে। ফেরার আগে ১৩৭ বলে ৭১ রান করেন।
এরপর দ্রুত ফিরে যান সাকিব (২৩)। তাকে ফেরান লাক্সান সান্দাকান। তার আউটের ধরণটাও প্রায় তামিমের মতো। লেগস্টাম্পের বলে বিভ্রান্ত হয়ে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন। দ্রুত এসে ফিরে যান মুমিনুল হক (৭)। বোল্ড হওয়ার আগে রিয়াদ করেন ৮।
এরপর শুরু হয় মুশফিকের লড়াই। মিরাজকে নিয়ে ১০৬ রানের জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। পেরেরার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরার আগে মিরাজ করেন ৪১। মুশফিক শেষ পর্যন্ত ৮৫ রানে বিদায় নেন।
শ্রীলঙ্কা সবকটি উইকেট হারিয়ে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪৯৪ রান করে। বাংলাদেশের সফল বোলার বলতে এক মিরাজ। ২২ ওভার বল করে ১১৩ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়েছেন তরুণ স্পিনার। ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা মোস্তাফিজ ২৫ ওভারে দুই উইকেট নিয়েছেন। রান দিয়েছেন ৬৮। সবচেয়ে বেশি হাত ঘুরিয়েছেন সাকিব আল হাসান। ৩২ ওভারে ১০০ রান খরচায় এক উইকেট তার। শুভাশিস রায় প্রথমদিন এক উইকেট নিয়েছিলেন। তাতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। তাসকিন ফিরিয়েছেন একজনকে।







