পুনের বোলার অ্যাডাম জামপা যেভাবে চোখ রাঙ্গানি দিয়ে একের পর এক উইকেট নিচ্ছিলেন তাতে টিভি সেটের সামনে বসে থাকা অনেক দর্শকের আজ মনে হচ্ছিল মুস্তাফিজের ব্যাটিংটাও একটু দেখি।
তবে শেষ পর্যন্ত আর ব্যাট করতে মাঠে নামতে হয়নি কাটার মাস্টার মুস্তাফিজকে। যদিও মুস্তাফিজ সমর্থকরা চাইবেন না যে ব্যাট হাতে তাকে নামতে হোক। তবে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মুস্তাফিজের ছক্কাটা তো অনেকেরই মনে থাকার কথা।
ওয়ানডেতে নয় ম্যাচে পাঁচটি ইনিংসে ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছিলেন মুস্তাফিজ। সর্বমোট রান ১৫, আর সর্বোচ্চ ৬ রান। টেস্টে দুই ম্যাচে একটি ব্যাট করে মুস্তাফিজের ৩ রান। আর টি-টুয়েন্টিতে ১৩ ম্যাচে পাঁচটিতে ব্যাট করে কাটার মাস্টারের সর্বমোট রান ৮।
আইপিএলে কাটার মাস্টারের জাদুকরী বোলিংয়ে মুগ্ধ হয়নি এমন কেউ নেই। যার ফলে মুস্তাফিজ এখন টক অব দ্য ক্রিকেট। তার জাদুকরী বোলিং দিয়ে নিজেকেই প্রতিনিয়ত ছাড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি। হয়ে উঠছেন সেরাদের সেরা। সেই সঙ্গে সারা বিশ্বের ক্রিকেট বিশ্লেষনের উপলক্ষও হয়ে উঠেছেন মুস্তাফিজ।
আইপিএল খেলতে গিয়ে মুস্তাফিজ বলছিলেন, বোলিং নো প্রব্লেম, ব্যাটিং এন্ড স্পিকিং প্রব্লেম। ক্রিকেটীয় ভাষা যে সর্বজনীন তার প্রমাণ কাটার মাস্টার মুস্তাফিজ।
তবে কথা বলার ভাষাতেও কোনো সমস্যা হচ্ছে না মুস্তাফিজের। কারণ তার জাদুকরী বোলিংয়ে সবাই মুগ্ধ হয়ে বাংলা শেখার ব্যাপারেই ঝুঁকেছেন।
শুধু ব্যাটিং সমস্যাটাই সত্য হলো, মুস্তাফিজের ব্যাটিংটাই দেখা হলো না।







