ধোনি-মুস্তাফিজের ‘ধাক্কাকাণ্ডে’র রেশ এখনও ক্রিকেট পাড়ায়। বিতর্ক কম হয়নি সোশ্যাল মিডিয়ায়। ম্যাচ শেষে দু-দলের অধিনায়কই বিষয়টিকে খেলার অংশ বললেও পরবর্তি সময়ে জরিমানা গুণতে হয়েছে দুজনকেই। এমনকি ধোনির ধাক্কা ইচ্ছাকৃত ছিলো বলে নিশ্চিত করেছেন ম্যাচ রেফারি পাইক্রফট।
তারপরও ভারতীয়দের সব রাগ অভিষেকেই ৫ উইকেট নিয়ে ভারতকে ধসিয়ে দেওয়া মুস্তাফিজুর রহমানের ওপর। ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের কাছে সেই রাগই যেনো উগড়ে দিয়েছেন সুরেশ রায়না।
নিজ দলের অধিনায়কের পক্ষেই গলা ফাঁটিয়েছেন তিনি। এমনকি মুস্তাফিজকে তার আচরণেও পরিবর্তন আনতে হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ধোনির সাথে ধাক্কা খাওয়ার আগে রোহিতের সাথেও ধাক্কা খেয়েছিলো মুস্তাফিজ।
‘যে জায়গাটা ব্যাটসম্যানদের, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা আইনের পরিপন্থী। সে (মুস্তাফিজ) যদি আচরণে পরিবর্তন না আনে, সামনের সময়টাতে তাকে আরও বড় সমস্যায় পড়তে হবে,’ বলে মনে করেন রায়না।
তবে বাংলাদেশকে উদীয়মান শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ভারতের সঙ্গে তারা সামর্থ্যের প্রমাণ রেখেছে। দিন দিন বাংলাদেশ তাদের খেলায় উন্নতি করছে, এটা সত্যি।
বিশ্বকাপে বিতর্কিত ম্যাচে ভারত জয় পেয়েছিলো বাংলাদেশের সঙ্গে। তাই বিশ্বকাপে টাইগারদের পারফরম্যান্সটাকে বেশি গুরুত্ব না দিয়ে তিনি মনে করছেন, বিশ্বকাপের পর থেকে বাংলাদেশের উন্নতি বেশি দৃশ্যমান।
‘কিন্তু তাদের (বাংলাদেশের) সঙ্গে আমাদের তুলনা চলে না। কেননা আমরা ক্রিকেটের পরীক্ষিত শক্তি,’ একটু অহংকারের সুরেই বলেছেন সুরেশ রায়না।
সিরিজে ০-১ এ পিছিয়ে থাকলেও সিরিজ জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী এ ভারতীয়। বাংলাদেশ এক ম্যাচ জিতলেও সিরিজের এখনও বাকি আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা পরবর্তি ম্যাচের দিকে তাকিয়ে আছি। আশা করি ভালোভাবেই ফিরে আসতে পারবো।
প্রথম ম্যাচে হার খুবই হতাশার হলেও কোচের পক্ষ থেকে স্বাভাবিক খেলা চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের দেওয়া ৩০৮ রানের টার্গেট ভারতীয়দের জন্য বড় কিছু না হলেও বোলারদের সাফল্যে টাইগাররা শেষ হাসি হেসেছে উল্লেখ করে রায়না আসল সত্যটা বলেছেন এভাবে: মুস্তাফিজ পাঁচ উইকেট পেয়েছে। তাসকিনও ধাওয়ান এবং কোহলির উইকেট তুলে নিয়েছে। আসলে ম্যাচটা ওখানেই শেষ হয়ে গিয়েছিলো।






