প্রথমে তামিম কে নিয়ে গড়েছিলেন ৭০ রানের জুটি, পরে সাব্বিরকে নিয়ে গড়লেন মহা মূল্যবান ১১৯ রানের জুটি।তুলে নিলেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি। ১০৪ বলে আটটি চার ও একটি ছয়ে ১০০ রান পূর্ণ করেন লিটল জিনিয়াস মুশফিকুর রহিম।ক্রেমারের সরাসরি থ্রোতে আউট হওয়ার আগে করেন ১০৭ রান। তার শতরানের ওপর ভর করেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে নয় উইকেটে ২৭৩ রান করে বাংলাদেশ।
ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেন ড্যাশিং ক্রিকেটার সাব্বির রহমান।৫৩ বলে চারটি চার আর দুটো ছয়ে তুলে নেন ফিফটি।তিনিও ক্রেমারের থ্রোতে রান আউট হন।জিম্বাবুয়ের বোলারদের পক্ষে সিকান্দার রাজা দুটি, পানিয়াঙ্গারা ও জংউয় একটি করে উইকেট নেন।
টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে সুবিধা করতে পারেনি টাইগার ব্যাটসম্যানরা।নবম ওভারেই সাজঘরে ফিরে যান টপ অর্ডার দুই ব্যাটসম্যান লিটন দাস ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।প্রথমবারের মতো ওপেনিং করতে নামা লিটন দাস ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই দলীয় ২ রানের মাথায় কোন রান না করেই লুক মাফুয়া জংউয়ের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে পয়েন্টে ক্রেমারের হাতে ধরা পড়েন। ।
৩০ রানের মাথায় পানিয়াঙ্গারার বলে সরাসরি ক্লিন বোল্ড হয়ে ৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ। দলের জন্য মহা গুরুত্বপূর্ণ ৭০ রানের জুটি গড়ে হালকা বিপর্যয় সামাল দেয় মুশফিক ও তামিম। ২৩ দশমিক ১ ওভারে স্কোরবোর্ডে রান দুই উইকেটে ১০০।কিন্তু আবার ব্যাটসম্যানদের সাজঘরে ফেরার মিছিল শুরু।
পরের বলেই সিকান্দার রাজাকে উড়িয়ে সীমানা ছাড়া করতে গিয়ে মিড অনে জংউইয়ের হাতে ধরা পড়েন ৪০ রান করা তামিম। এ জুটি ভাঙ্গার পর ক্রিজে মুশফিক আর সাকিব। টাইগার ক্রিকেটে বহু নজির রয়েছে তাদের জুটির। কিন্তু আজ তা হলো না, ১৬ রানের ছোট্ট ইনিংসে দুটি দৃষ্টিনন্দন চার মার ছিল। তবে সিকান্দার রাজাকে ডাউন দ্যা উইকেট খেলতে গিয়ে স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হন সাকিব। শেষদিকে অধিনায়ক মাশরাফি মতুর্জার ৮ বলে এক চার এক ছয়ে ১৪ রান এবং স্পিনার আরাফাত সানির ৮ বলে তিনটি চারে ১৩ রান টাইগারদের সম্মানজনক স্কোরে পৌছে দেয়।






