অন্য প্রান্তের ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ায় মিছিল দেখেছেন। ১০৬ রানের জুটি সঙ্গী মেহেদী হাসান মিরাজকেও ফিরে যেতে দেখলেন। উইকেটে সঙ্গী কেবল টেল এন্ডাররা। এরপরও ভালোভাবেই এগোচ্ছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হয়ে ফেরায় দারুণ একটি মাইলফলক ছোঁয়া হয়নি তার। তবে ৮৫ রানের ইনিংসটি খেলে চলতি বছর নিজের ব্যাটিং গড়টা রেখেছেন শতকের উপর।
গলে বৃহস্পতিবার হেরাথের বলে বোল্ড হয়ে ফিরেছেন মুশফিক। দুর্দান্ত ইনিংসটি কেবল সেঞ্চুরি হারানোর আক্ষেপেই বাড়াচ্ছে না, প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে টেস্টে টানা তিনটি সেঞ্চুরি না হওয়ার আফসোসেও পোড়াচ্ছে।
আগে ছয়ে ব্যাট করতেন। উইকেটকিপিং থেকে অব্যাহতি মেলার পর চারে নামলেন। লক্ষ্য ছিল ব্যাটিংয়ে নিজেকে আরো মেলে ধরার। প্রথম ইনিংসেই তাতে সফল মুশি। সবমিলিয়ে বছরের প্রথম তিন মাসে তার রানের গড় ১০১.৭৫। তিন টেস্টের ৫ ইনিংসে মোট রান ৪০৭। টেস্টগুলো আবার ভিন্ন তিনটি দেশে খেলেছেন মুশফিক।
টানা তিনটি টেস্ট সেঞ্চুরি না হলেও আগের ইনিংসগুলোর ধারাবাহিকতা থাকাতেই নিশ্চয় খুশি হবেন মুশফিক। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে গত জানুয়ারিতে ওয়েলিংটন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৫৯ রানের ঝলমলে একটি ইনিংস খেলেছিলেন। আহত হয়ে দ্বিতীয় টেস্টে খেলতে পারেননি। পরে ভারতের বিপক্ষে হায়দরাবাদ টেস্টে ১২৭ রানের ইনিংস। সবশেষ গলেতে ৮৫।
শতক হয়নি। কিন্তু দলকে ঠিকই খাদের কিনারা থেকে টেনে তোলার কাজটা সেরেছেন অধিনায়ক। শ্রীলঙ্কার ৪৯৪ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ থেমেছে ৩১২ রানে। এড়িয়েছে ফলোঅন। অবশ্য এখনো ১৮২ রানে পিছিয়ে সফরকারীরা। বাকি দুটি দিনের মাঝে আবারো ধৈর্যশীল একটি ইনিংস খেলার ডাক পড়াটা মুশফিকের জন্য স্বাভাবিকই। তাতে নিজের রান-গড়ও বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকছে তার।







