২৮ আগস্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও লেখক সুনীল ব্যানার্জির দশম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৪৭ সালের ২০ এপ্রিল সাতক্ষীরা শহরের এক অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ২০০৬ সালের ২৮ আগষ্ট ঢাকার মোহাম্মদপুরে নিজ বাসভবনে তার মৃত্যু হয়।
১৯৭৩ সাল থেকে প্রত্যক্ষভাবে সাংবাদিকতা পেশার সাথে যুক্ত ছিলেন সুনীল ব্যানার্জি। বিসিএস পাশ করেও ক্যাডার সার্ভিসে যোগ দেননি। এমন কি এল.এল.বি পাশ করে স্বাধীন আইন পেশায় যোগ না দিয়ে সাংবাদিকতাকেই বেছে নেন পেশা হিসেবে। ১৯৯৭ পর্যন্ত তিনি অধুনালুপ্ত দৈনিক বাংলায় সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন সুনীল ব্যানার্জি। তার সর্বশেষ কর্মস্থল ছিল দৈনিক জনকন্ঠ।
তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য, ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির আজীবন সদস্য ও কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর কার্যনির্বাহী পরিষদের একজন সদস্য ছিলেন। অবিভক্ত সাংবাদিক ইউনিয়নের সাথেও তিনি প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন।
সুনীল ব্যানার্জি’কে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মরণোত্তর বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও তাকে মরণোত্তর স্বীকৃতি স্মারক প্রদান করা হয়।
সুনীল ব্যানার্জির স্ত্রী শিখা ব্যানার্জি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ও একমাত্র সন্তান সাংবাদিক শুভাশিস ব্যানার্জি মৃত্যুবার্ষিকীতে দেশবাসীর কাছে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে প্রার্থনার অনুরোধ জানিয়েছেন।







