মিয়ানমারের জলসীমা থেকে উদ্ধার হওয়া অভিবাসী প্রত্যাশীদের মধ্যে পঞ্চম দফায় আজ মঙ্গলবার আরো ১২৫ বাংলাদেশীকে ফেরত আনা হয়েছে। দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে বান্দরবানের ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
যাদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে তাদের মধ্যে ১৪ জেলার বাসিন্দা রয়েছে। এদের মধ্যে কেবল কক্সবাজারের ৮৬ জন। অপ্রাপ্ত বয়স্ক রয়েছে ২৪ জন।
মিয়ানমার থেকে এসব বাংলাদেশীকে ফেরত আনতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-১৭ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দল সকাল সাড়ে ১০টায় মিয়ানমার যান। এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিয়ানমারের ইমিগ্রেশন বিভাগের সাথে পতাকা বৈঠক শুরু হয় ঢেঁকিবনিয়ার বিজিপি ক্যাম্পে।
বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন লে. কর্নেল রবিউল ইসলাম। মিয়ানমারের পক্ষে নেতৃত্ব দেন মিয়ানমার ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনাল রেজিস্ট্রি ডিপার্টমেন্ট পরিচালক ইউ স নাইং।
ফেরত আনা ১২৫ জনকে সীমান্তের বাংলাদেশ অভ্যন্তরে এনে কক্সবাজার জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর পর তাদের কে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। আইনী প্রক্রিয়া শেষে আইএমও এবং রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি’র মাধ্যমে এসব বাংলাদেশীকে নিজ নিজ বাড়ীতে পৌঁছে দেওয়া হবে।
আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা আইএমও এর বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রোগ্রাম অফিসার আসিফ মুনির ফিরে আসাদের সব রকমের সহযোগিতা দেওয়ার কথা জানান।
মিয়ানমার থেকে এ পর্যন্ত ৬২৬ জনকে ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে ফেরত আনা হল।







