মিয়ানমারে জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শিশু-কিশোরদের মাঝে ভয়াবহ অতীতকে ভুুলে এখন নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন। নির্যাতনের ভয়াবহ বিভীষিকা ভুলে শুধু প্রাণ নিয়ে পালিয়ে আসা এসব শিশু কিশোরদের সামনে এখন একটাই চ্যালেঞ্জ, আর তা হলো নতুন করে বাঁচা।
সামাজিক মাধ্যমে এমন চিত্র তুলে ধরেছে ইউনিসেফ।
শূণ্য থেকে শুরু তাদের বাঁচার লড়াই। সামান্য মাথা- গোঁজার ঠাঁই আর খাদ্যের যোগান দিতেই ব্যস্ত সময় পার করছে তারা। এমনই এক রোহিঙ্গা কিশোরীকে কক্সবাজারের আলী খালি-তে ঘর তৈরী করার কাজে পরিবারকে সাহায্য করতে দেখা গেছে।
জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে আসা কয়েক লাখ রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সেও বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। ঠিক এমনই অনেক সম্ভাবনার গল্প রয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে। সব হারানো এসব রোহিঙ্গাদের এখন একটাই লড়াই আর তা হলো বেঁচে থাকা। এজন্য রাতি-দিন পরিশ্রম করে যাচ্ছে তারা।
তবে আশার কথা হচ্ছে, এসব রোহিঙ্গাদের সাহায্য করার জন্য এখনও যথাসাধ্য চেষ্টা করছে ইউনিসেফ। মিয়ানমারের সহিংসতার শিকার রোহিঙ্গা শিশু এবং তাদের পরিবারের জন্যে পর্যাপ্ত সেবা নিশ্চিত করতে ইউনিসেফ ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।







