প্রতিবেশিদের সঙ্গে আমরা সুসম্পর্ক ও সৌহার্দ্য বজায় রাখাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি।
বাংলাদেশ যেকোন দ্বিপাক্ষিক সমস্যা আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চাই জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন: রোহিঙ্গা সঙ্কটকাল থেকেই মিয়ানমারের দিক থেকে নানা উস্কানি দেওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ তাদের ফাঁদে পা দেয়নি।
মঙ্গলবার সরকারের একবছর পূর্তিতে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন: আলোচনার মাধ্যমে আমরা দ্বিপাক্ষিক সমস্যা সমাধান করতে চাই। এটি আমাদের দুর্বলতা নয়, কৌশল। এ কারণেই মায়ানমারের দিক থেকে নানা উস্কানি সত্ত্বেও আমরা সে ফাঁদে পা দেইনি। আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানের পথ থেকে সরে যাইনি। রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে মামলা হয়েছে। আমরা আশা করছি, এই আদালত থেকে আমরা একটি স্থায়ী সমাধান সূত্র খুঁজে পাবো।
এসময় আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন: আর্থ-সামাজিক খাতে অব্যাহত উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। যার সাক্ষ্য মেলে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের প্রতি বৈশ্বিক সমর্থনের মধ্য দিয়ে। সম্প্রতি ইকোসক, সিএফসি, সি.আই.এ.পি, এ.পি.ডি.আই.এম-সহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশ নির্বাচিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন: এ বছরও জাতিসংঘে বাংলাদেশ উত্থাপিত ‘শান্তির সংস্কৃতি’ এবং ‘প্রাকৃতিক উদ্ভিজ্জ তন্তু ও টেকসই উন্নয়ন’ শীর্ষক রেজুলেশনসহ রোহিঙ্গা বিষয়ক বেশ কয়েকটি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।







