স্বনামধন্য মানবাধিকার কর্মী ও আইনজীবী আমাল ক্লুনি বলেছেন, মিয়ানমারের উচিত রয়টার্সের দণ্ডপ্রাপ্ত দুই সাংবাদিককে ক্ষমা করে দেয়া। তাদের পরিবার যেহেতু প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চেয়েছে, তাই মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি’রও উচিত তাতে সম্মতি দেয়া।
শুক্রবার জাতিসংঘে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট (সিপিজে) আয়োজিত মুক্ত গণমাধ্যম বিষয়ক অনুষ্ঠানে ক্লুনি এসব কথা বলেন। ক্লুনি ওই দুই সাংবাদিকের পক্ষে কাজ করা আইনি দলের একজন সদস্য বলে এনডিটিভি জানায়।
আমাল ক্লুনি বলেন, প্রেসিডেন্ট চাইলে শাস্তি পাওয়ার পরও যেকোন সময় ক্ষমা করে দিতে পারেন। তিনি এ ব্ষিয়ে অং সান সুচির সঙ্গেও আলোচনা করতে পারেন।
তিনি বলেন, দুই সাংবাদিকের পরিবার ইতোমধ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। যেহেতু এই মামলা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সম্মতিতে শুরু হয়েছে, তাই এখন সবকিছু প্রেসিডেন্টের অফিসে। সরকার চাইলে আজই তা নিষ্পত্তি করতে পারে।
এর আগে চলতি মাসের শুরুতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে ক্ষমা করে দ্রুত মুক্তি দিতে মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো জাতিগত নিধনের সংবাদ সংগ্রহে অনুসন্ধানের সময় রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সাংবাদিক ওয়া লোন এবং কিয়াও সোয়ে উ কে গত ৩ সেপ্টেম্বর ৭ বছর করে কারাদণ্ড দেয় মিয়ানমারের একটি আদালত।
সিপিজে’র এই অনুষ্ঠানে মিয়ানমারের পাশাপাশি মিশর, কিরগিজিস্তান ও বাংলাদেশে দণ্ডপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের বিষয়েও আলোকপাত করা হয়। অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, লেবানন এবং অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।







