কাতার বিশ্বকাপের ক্ষণ গুনতে শুরু করেছে ফুটবল বিশ্ব। এমন সময় আনন্দের ফানুস উড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্য সফর শেষ করলেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ফিফা সভাপতি বলে গেলেন, বিশ্বাস করেন চাইলে মিশরও বিশ্বকাপ আয়োজন করতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের আয়োজক হয়েছে কাতার। ২০২২ আসর মাঠে গড়াবে দেশটিতে। সাজসাজ রব নিয়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এরমাঝেই ইনফান্তিনো জানিয়ে গেলেন, কাতারের মতো বিশ্বকাপ আয়োজন করার সামর্থ্য আছে মিশরেরও।’
আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে কেবল সাউথ আফ্রিকা একবার ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ পেয়েছে। ২০১০ সালে। অন্যদিকে আরব দেশগুলোর মধ্যে প্রথম আয়োজক হচ্ছে কাতার। দ্বিতীয় হিসেবে এখন স্বপ্ন বুনতে পারে মিশর।
মিশরের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী আশরাফ সভি অবশ্য ২০৩০ ও ২০৩২ সালে দেশটিতে বিশ্বকাপ ফুটবল আর অলিম্পিক আসর বসানোর চেষ্টার কথা আগেই জানিয়েছেন।
মিশরের সংবাদমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনো বলেছেন, ‘আরবের দুই দেশ সৌদি ও মিশর ইতিমধ্যেই এফকন ও মরক্কো টুর্নামেন্টের সফল আয়োজনে সক্ষমতার জানান দিয়েছে। এখন আমাদের ভাবতে হবে টুর্নামেন্টগুলো দুই না চার বছর পরপর আয়োজন করা হবে।’
কাতার সফলভাবে ‘আরব কাপ’ আয়োজন করে দেখিয়েছে। যেখানে আট ভেন্যুতে খেলাগুলো হয়। ভেন্যু দূরত্ব ৬০ কিলোমিটারের মধ্যে হওয়ায় একইদিনে চারটা করে ম্যাচও দেখার সুযোগ পেয়েছে দর্শকরা। তিউনেশিয়াকে হারিয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরে আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন আলজেরিয়া।
‘আরব কাপ চলাকালীন সময় অনেকের ফোন পেয়েছি। তাদের চাওয়া, এখানে (মিশর) বিশ্বকাপের মতো বড় আয়োজন করার। আমরা আরব কাপের দর্শক আগ্রহ চোখ রেখেছি। যেখানে আয়োজনের সকল মানদণ্ডে মুনশিয়ানা ছিল। এটা সত্যি যে, আরব দেশগুলো বিশ্বকাপ আয়োজনের যোগ্য দাবিদার।’
মোহাম্মেদ সালাহর দেশ মিশর ২০১০ বিশ্বআসর আয়োজনের বিট করেছিল। সেবার তারা কোনো ভোট পায়নি। মরক্কোর ঝুলিতে পড়েছিল ১০ ভোট। সাউথ আফ্রিকা ১৪ ভোট পেয়ে বিশ্বকাপ আয়োজন করে বসে।








