১৩ বলে দরকার ১৬ রান। হাতে ৬ উইকেট। সহজ এক সমীকরণ। ক্রিজে থাকা দুই ব্যাটসম্যানও থিতু। ব্রাদার্সের ভারতীয় রিক্রুট চিরাগ জনি ৯২ ও শরিফউল্লাহ অপরাজিত ৩৪ রানে। জয়ের বন্দরে নোঙর করা সময়ের ব্যাপারই মনে হচ্ছিল তখন। কিন্ত খানিকপরই পাল্টে গেল দৃশ্যপট। শেষের নাটকীয়তায় ২ রানে ম্যাচ জিতে নিল বিকেএসপি।
শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে ২৬৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামা ব্রাদার্স ইউনিয়ন আড়াইশ পূর্ণ করে ৪৭.৩ ওভারে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে। ১৫ বলে ১৮ রানের সহজ সমীকরণ মেলাতে ব্যর্থ হওয়া দলটি ৯ উইকেট হারিয়ে তুলতে পারে ২৬৫।
১৩ বলে দরকার ছিল ১৬ রান। সেখান থেকে আর ৪ রান তুলতেই ৩ উইকেট হারালে কঠিন হয়ে যায় ম্যাচ। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১২ রান, হাতে ৩ উইকেট।
সুমন খানের প্রথম ডেলিভারি ‘নো’ হলেও ব্যাটে করতে পারেননি ইবাদত। ফ্রি হিট থেকে ১ রান নিয়ে শরিফউল্লাহকে স্ট্রাইক দেন। দ্বিতীয় বল থেকে কোনো রান নিতে পারেননি এ ব্যাটসম্যান। তৃতীয় বলে রান আউট হয়ে যান ননস্ট্রাইকিং প্রান্তে থাকা ইবাদত।
চতুর্থ বলে শরিফউল্লাহ ২ রান নিয়ে জয়ের আশা টিকিয়ে রাখেন। পঞ্চম বলে চার মেরে জয়ের পালে হাওয়া যোগান। শেষ বলে ব্রাদার্সের দরকার পড়ে ৩ রান। কোনো রান নিতে পারেননি শরিফউল্লাহ। রানের জন্য ছুটতে গিয়ে রান আউট হয়ে যান অপরপ্রান্তে থাকা সাখাওয়াত। ১৩ রান তুলতে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচটাই হাতছাড়া করে তারা।
বিফলে যায় জনির ৯৬ রানের ইনিংস। ওপেনার জুনায়েদ সিদ্দিক করেন ৫২। ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন শরিফউল্লাহ।
বিকেএসপির পেসার মুকিদুল ইসলাম নেন চার উইকেট। শামীম হোসেন নেন দুটি উইকেট। নওশাদ ইকবাল শিকার করেন একটি উইকেট।
টস জিতে আগে ব্যাট করা তারুণ্যনির্ভর দল বিকেএসপি ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৬৭ রান তোলে। শুরুতে বিপর্যয়ে পড়লেও শামীম হোসেন ৭১ ও অধিনায়ক আকবর আলী ৫৬, পারভেজ হোসেন ইমন ৬৯ করলে লড়াকু পুঁজি পায় দলটি।
ব্রাদার্সের পেসার মোহাম্মদ শরিফ নেন ৩ উইকেট। নিউজিল্যান্ড সফর শেষ করে দেশে ফিরে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা ইবাদত তোলেন ২ উইকেট।







