ঢাকার মিরপুরের একটি বাড়িতে জাল টাকা বিক্রি হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গোয়েন্দা পুলিশ।
সেখান থেকে এক কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যের জাল নোট এবং জাল নোট তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করে। এ সময় জালনোট চক্রের অন্যতম হোতা বাদশা মিয়াসহ তার সহযোগী ৫ ডিলারকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, ঈদকে ঘিরে সারাদেশ জুড়েই জাল নোট চক্রের সদস্যরা আবারো সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
ডিবি যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, সারা দেশে তাদের নেটওর্য়াক রয়েছে। জলিল যে রংপুর এলাকায় কাজ করে। রংপুর এলাকায় যারা জাল টাকা আমদানি কারক আছে তাদের কাছে সে এখানকার জাল টাকা সে ডিলার হিসেবে পৌঁছে দেয়।
আর মহসিন ঢাকা নারায়নগঞ্জ এলাকায় কাজ করে, জয়নাল খুলনা অঞ্চলে কাজ করে, সোহাগ বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলে কাজ করে এবং বায়োজিদ বৃহত্তর ময়মনসিংহ এলাকায়।
এর আগেও তিনবার বাদশা মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিলো। আইনের ফাঁক ব্যবহার করে সে আবার ফিরে আসে পুরানো পেশায়।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে জাল টাকা তৈরির ক্ষেত্রে সুনাম রয়েছে বাদশা কোম্পানীর। বাদশার বিরুদ্ধে আগের তিনটি মামলা রয়েছে সে গত বিশ বছর ধরে এ কাজে নিয়োজিত রয়েছে বলে সে স্বীকার করেছে।
মাত্র ৪ থেকে ৮ হাজার টাকায় পাইকারী বাজারে মিলছে এক লাখ টাকার জাল নোট। আর মাঠ পর্যায়ে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে তা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকায়। জাল নোট তৈরি চক্রের অন্যতম হোতা বাদশা মিয়াসহ তার ৫ ডিলারকে গ্রেফতারের পর বেরিয়ে এসেছে এ তথ্য।
বাদশা মিয়ার অন্য সহযোগীদের গ্রেফতারে সারাদেশে অভিযান চলছে।






