মিরপুরের উইকেটে স্পিনাররা পাচ্ছেন টার্ন, পেসাররা সুইং, উড়ছে ধুলোও। অনেকটা অনুকূল উইকেট পেয়ে খুশি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে থাকা শ্রীলঙ্কা, খুশি দলের প্রতিনিধি হয়ে আসা রোশেন সিলভাও। ম্যাচের পরিস্থিতি বিবেচনায় খুশিটা একটু বেশি বলেই কিনা তিনি মিরপুরের উইকেটকে নামিয়ে আনলেন রাস্তার কাতারেও! বলে বসলেন, এমন উইকেট দেখতে অনেকটা শ্রীলঙ্কার রাস্তার মত!
চট্টগ্রাম টেস্টে বোলারদের শাসন করেছে দুই দলের ব্যাটসম্যানরাই। তবে মিরপুরে মন মত উইকেট পেয়ে সুবিধাটা কড়ায়-গণ্ডায় আদায় করে নিচ্ছেন বোলাররা। তাতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ব্যাটসম্যানদের। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা একটু বেশিই ভুগছেন! শুক্রবার নিজেদের প্রথম ইনিংসে ১১০ রানে অলআউট হয়ে মিরপুরের মাটিতে সর্বনিন্ম রানের লজ্জায় ডুবেছে স্বাগতিকরা।
লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা খুব যে ভাল করেছেন এমনও নয়। তবে স্বাগতিকদের চেয়ে তুলনামূলক ভালতো করেছেনই। ঢাকা টেস্টে ব্যাটসম্যানদের জন্য বধ্যভূমিতে পরিণত হওয়া উইকেটে দুই ইনিংসেই অর্ধশতক হাঁকানোর পর রোশেনের মত, উইকেটটা তাদের খুবই চেনা। কিভাবে?
‘মাঝে মাঝে খারাপ আবহাওয়ার কারণে আমরা এমন উইকেট পাই। আমাদের দেশে যখন বালি ও অন্যান্য জিনিস দিয়ে রাস্তা, সড়ক বানানো হয়; তখন তা দেখতে অনেকটা এরকম দেখায়। এমন উইকেট কিন্তু খুব একটা দেখতে পাওয়া যায় না।’
স্পিনে স্বাগতিকদের তুলনায় বেশ শক্তিশালী লঙ্কানরা। সে কথা জানার পরও কেন স্পিনিং উইকেট বানানো হল এমন চিন্তার উত্তর মিলছে না রোশেনের, ‘আমি ভেবেছিলাম উইকেটটা ব্যাটিং উইকেট হবে। উপমহাদেশে যখন অস্ট্রেলিয়া বা অন্য কোন দল সফরে করতে আসে, তখন আমরা তাদের জন্য এ ধরনের উইকেট বানাই। কিন্তু আমাদের স্পিন আক্রমণ ভাল। আমি জানি না কেন তারা এমন উইকেট আমাদের দিলো!’








