পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু হত্যায় জড়িত সন্দেহে আটক শিবির নেতা গুন্নু ও মাস্টার মাইন্ড বলে কথিত রবিনকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ডিবি। তদন্তে গতি আনতে মামলার তদন্তভার দেয়া হয়েছে একজন সহকারী কমিশনারকে। পুলিশের আইজি বলেছেন, দেশী-বিদেশী চক্রান্তকারীরা দেশে গুপ্ত হত্যা চালাচ্ছে।
দুপুরে শিবির নেতা আবু নছর ওরফে গুন্নু এবং মিতু হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন শাহ জামান রবিনকে হাজির করা হয় নগরীর সিএমএম আদালতে। হত্যার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতকে জানান, গুন্নুকে ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে খুনীদের একজনের চেহারা হুবহু রবিনের মতো। অপরাধের সঙ্গে এদের জড়িত থাকার তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে দাবি করে গুন্নু ও রবিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ১০ দিনের রিমান্ড চায় ডিবি। আদালত ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
চাঞ্চল্যকর ওই মামলার তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে বৈঠক করেন সিএমপি কমিশনার। সেখানেই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বদলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিএমপি ডিবির সহকারী কমিশনার কামরুজ্জামানকে মিতু হত্যা মামলার তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়। এরই মধ্যে মামলার নথিপত্র গ্রহণ করে তদন্তকাজ শুরু করেছেন ওই সহকারী কমিশনার।
সারাদেশে চলমান জঙ্গিবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিদর্শনে চট্টগ্রামে গিয়ে আইজিপি শহীদুল হক বলেছেন, জঙ্গিরাই দেশে নাশকতা চালাচ্ছে। আমরা তৎপর আছি, জনগণের সহায়তা চাই। জঙ্গিবাদ দেশে মাথাচাড়া দিয়ে উঠলে এদেশ পাকিস্তান, সিরিয়ার মতো অকার্যকর দেশ হিসেবে পরিগণিত হবে। এর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সবাই মিলে উত্থান ঠেকাতে হবে। পুলিশের মনোবল দুর্বল করে জঙ্গিরা ফায়দা লুটবে তা হবে না। হত্যাকারীদের অবশ্যই বের করবো সেই প্রত্যয় নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে গত ৫ জুন সকালে পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে তার শিশুসন্তানের সামনেই কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়।








