মোফাজ্জাল হোসেন চৌধুরী মায়ার মন্ত্রীত্ব চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটে বিভক্ত আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক বিচারপতি রুল দিলেও রিট খারিজ করেন অন্য বিচারপতি। বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মোঃ আশরাফুল কামালের বেঞ্চ থেকে সোমবার এই বিভক্ত আদেশ আসে।
বিষয়টি এখন প্রধান বিচারপতির কাছে যাবে। প্রধান বিচারপতি বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য অন্য একটি বেঞ্চ ঠিক করে দেবেন।
মায়ার মন্ত্রী পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ৭ জুলাই এই রিট করেন ইউনুছ আলী আকন্দ।
পরদিন বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চে আবেদনটি নেওয়া হলে তারা জ্যেষ্ঠ বেঞ্চে নেওয়ার জন্য আবেদনটি ফিরিয়ে দেন।
আট বছর আগের একটি দুর্নীতি মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা মায়াকে হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায় গত ১৪ জুন বাতিল করে নতুন করে আপিল শুনানির আদেশ দেয় আপিল বিভাগ।
২০০৭ সালের ১৩ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধভাবে ২৯ লাখ টাকার সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ আনা হয় মায়ার বিরুদ্ধে।
পরের বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত দুই ধারায় মায়াকে মোট ১৩ বছরের কারাদণ্ড এবং তাকে পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়।
মায়া ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে গেলে তার আপিলের শুনানি করে ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে খালাস দেন। পরে তার খালাসের রায় বাতিল করে দেন আপিল বিভাগ।
এরপরও মায়া সংসদ সদস্য পদ ও মন্ত্রীত্ব ছাড়ায় গত ৩০ জুন তাকে উকিল নোটিস পাঠান ইউনুছ আলী আকন্দ।
ওই নোটিসের জবাব না পেয়েই রিট আবেদন করেন আইনজীবী ইউনুছ।






