চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির কথিত বন্ধু শাওনকে দু’দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার শাওনকে আদালতে হাজির করে ডিবি পুলিশ সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায়। পরে ঢাকার মহানগর হাকিম মাজহারুল ইসলাম রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে মাহি ও শাওনের কথিত বিয়ের ছবি। সেই পরিপ্রেক্ষিতে গত শনিবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখায় কথিত বন্ধু শাওনের নামে একটি লিখিত অভিযোগ করেন নায়িকা মাহি। ওই অভিযোগের ভিত্তিতেই গত রোববার শাওনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ দু’দিনের রিমান্ডে নেয়। 
চলচ্চিত্র জগতে মাহিয়া মাহি তার প্রকৃত নাম শারমিন আক্তার নীপা নামে মামলা দায়ের করেন। মামলায় মাহি উল্লেখ করেছেন, ২৭ মে তার বন্ধু শাহরিয়ার আলম শাওনের সঙ্গে তার কিছু ছবি কয়েকটি অনলাইন নিউজপোর্টাল এবং ফেসবুকের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে শাহরিয়ার ছাড়া তার কয়েকজন বন্ধুও জড়িত বলে তার ধারণা।
বিয়ের পরদিন থেকেই কয়েকটি গণমাধ্যমে মাহির একাধিক বিয়ে-সংক্রান্ত কিছু ছবি প্রকাশ হতে থাকে। সেখানে ছবি প্রকাশের পাশাপাশি দাবি করা হয়, এর আগেও একাধিকবার মাহির বিয়ে হয়েছে। ছবি প্রকাশের পর থেকে আলোচনার ঝড় ওঠে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে। 
ওই বিষয়ে মাহি চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেছিলেন, “ফেসবুকে যে ছবিগুলো প্রকাশিত হয়েছে; সেগুলো আমারই ছবি। তবে তা ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। মূলত এগুলো ছিল আমার একটি শ্যুটিংয়ের দৃশ্য। আর শাওন ওই সময় মজা করে এসব ছবি ক্যামেরাবন্দি করেছেন। আর তা দেখে মানুষ ভুল বুঝে আমার সম্পর্কে নানা মন্তব্য করছেন।”
গ্রেপ্তার শাওনের বাবা একজন ব্যবসায়ী। রাজধানীর গুলশানে বাসা তাদের। আর শাওন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী।








