পুুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুর ফোনের
কললিস্টেও তাদের ছেলের স্কুল থেকে কোনো এসএমএস পাঠানোর প্রমাণ পায়নি পুলিশ।
মিতুর ফোনটি এখনো পাওয়া না গেলেও অপারেটরের কললিস্ট পরীক্ষা করে স্কুল
কর্তৃপক্ষের কোনো এসএমএস’র হদিস মেলেনি।
প্রতিবেশীদের ভাষ্য অনুযায়ী ঘটনার দিন স্কুল কর্তৃপক্ষের এসএমএস পেয়ে ১৫ মিনিট আগে মিতু ছেলেকে নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন। তবে প্রতিবেশীদের এমন দাবি চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ নাকচ করে দেয়। স্কুল থেকে এসএমএস না দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ধারণা করা হয়েছিল, খুনিরা হয়তো বিভ্রান্তি তৈরি করার জন্য স্কুলের নামে এসএমএস পাঠিয়েছে। এমন সন্দেহ এবং অন্যান্য বিষয় তদন্তের জন্য পুলিশ মিতুর মোবাইল ফোনের কললিস্ট সংগ্রহ করে। মঙ্গলবার দুপুরে কললিস্ট গোয়েন্দাদের হাতে আসে।
সিটিজি নিউজে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহার জানান, “মিতুর ফোনের কললিস্ট অপারেটরের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, সেখানে স্কুল সংক্রান্ত কোন এসএমএস-ই আসার প্রমাণ নেই এমনকি প্রতিবেশিদের ফোনেও কোন এসএমএস আসেনি।”
কেন এসএমএসর বিষয়টি এভাবে ছড়িয়ে পড়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং মিতুর মোবাইল ফোনটি এখনো পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।
রোববার সকালে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে এসে বাসার অদূরে জিইসি মোড়ে তিন মোটর সাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তের হাতে খুন হন বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। কয়েকটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছিলো ছেলে আক্তার মাহমুদ মাহিরের স্কুল থেকে গাড়ীর সময় ২০ মিনিট এগিয়ে আনা হয়েছে বলে এসএমএস দেওয়া হয়েছিলো। মিতুর পরিবারের পক্ষ থেকে ঢাকায় সাংবাদিকদের একই কথা বলা হয়েছিল।
তবে মাহিরের স্কুল চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের জুনিয়র শাখার সমন্বয়ক ইয়াসমিনা হক আগেই জানিয়েছিলেন, স্কুলের শিডিউল সংক্রান্ত কোন এসএমএম তারা অভিভাবকদের পাঠাননি, রোববারে স্কুলে প্রবেশের সময় ৭টা ২০ মিনিট এবং সাড়ে ৭টা থেকে স্কুলের কার্যক্রম শুরু হয়, এটা রোববারের পূর্ব নির্ধারিত শিডিউল।








