ক্রিকেট

মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে চোখ রাখার দিন

মাহমুদউল্লাহকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন হার্শা ভোগলে. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

মাহমুদউল্লাহ ও হার্শা ভোগলে ক্রিকেট মাঠে একসাথে হাসিমুখে দেখা যাচ্ছে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

ভারতের বিপক্ষে সিরিজের শেষ দুটি টি-টুয়েন্টি ম্যাচে সবার চোখ থাকবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দিকে। সংক্ষিপ্ত সংস্করণ থেকে অবসর ঘোষণার পর নিশ্চয়ই সাইলেন্ট কিলারের ব্যাটে আসা প্রতিটি বলের দিকে চোখ রাখবেন তাঁর ভক্তরা।

বুধবার দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় শুরু সিরিজের দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টি। বাংলাদেশের সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচ এটি।

১২ অক্টোবর হায়দরাবাদে বাকি ম্যাচটি খেলেই এপিটাফ টানা হবে মাহমুদউল্লাহর টি-টুয়েন্টি ক্যারিয়ারের। বিদায়ী টেস্টে দেড়শ রানের আলো ঝলমলে ইনিংস খেলেছিলেন। টি-টুয়েন্টির বিদায়বেলায় বাংলাদেশকে কেমন ইনিংস উপহার দেন সেটিই দেখার।

২০১৯ সালে দিল্লিতেই প্রথমবারের মতো ভারতের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টিতে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। শিবম দুবেকে মিড উইকেট দিয়ে পুল করে ছক্কা মেরে ফিনিশার হিসেবে জয় নিশ্চিত করেছিলেন মাহমুদউল্লাহ।

মঙ্গলবার অবসর ঘোষণার পর তিনি বলেন, ‘বিদায় বেলায় আমার কোনো আফসোস নেই। সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আমার মনে হয়েছে, এটাই সঠিক সময় নিজেকে থামানোর। আমি আগে থেকেই ভেবে এসেছি, এখানেই এই ঘোষণা দেবো। আমি ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব।’

মাহমুদউল্লাহ স্মরণ করেন ক্যারিয়ারের সেরা সময় শ্রীলঙ্কার নিধাস ট্রফির সেমিফাইনাল থেকে ফাইনাল পর্যন্ত সেই অনবদ্য ইনিংস দুটি কথা, ‘ক্যারিয়ারে কতটা সফল হয়েছি তা আমি বলতে পারব না। তবে আমি আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। অনেক সময় সফল হয়েছি, অনেক সময় হইনি। তবে এসব নিয়ে এখন আর ভাবছি না।’

‘সবচেয়ে হতাশাজনক ২০১৬ সালে, বেঙ্গালুরুতে ভারতের বিপক্ষে সেই ম্যাচ ( বিশ্বকাপে ২ বলে ১ রানের সমীকরণ মেলাতে না পারা) জেতাতে না পারা। সেই ম্যাচটি জীবনের বাকবদল বলতে পারেন। সেখান থেকে বড় শিক্ষা নিয়েছিলাম। এ ছাড়া সেরা মুহূর্ত সম্ভবত নিধাস ট্রফি, যে ম্যাচটা জিতেছিলাম।’

বিষয়:অবসর টি-টুয়েন্টি সিরিজ দিল্লি বাংলাদেশ-ভারত মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…