বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটারের অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলেই যার নামটি সবার আগে আসে, তিনি ডেভিড ইয়াং। মাশরাফী, তামিম, মোস্তাফিজ, শহীদের পর অস্ট্রেলিয়ান এ শল্যবিদের শরণাপন্ন হচ্ছেন নাসির হোসেন।
আগামী সপ্তাহে মেলবোর্নের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন নাসির। ব্যস্ত চিকিৎসক ইয়াংয়ের অ্যাপয়েনমেন্ট পাওয়া গেছে গত সপ্তাহে। ভিসা প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় আছে। রোববার অথবা সোমবার ভিসা পেয়ে যাবে বলে আশা করছে বিসিবির লজিস্টিক বিভাগ।
জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা চোটে পড়লে চিকিৎসা খরচ বহন করে বিসিবি। তবে নাসিরের চিকিৎসা বিসিবি করাবে কিনা সেটি নিয়ে কিছুটা সংশয় ছিল। কেননা নাসিরের হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায় ফুটবল খেলতে গিয়ে। সেটিও আবার সিরাজগঞ্জে বন্ধুর বিয়ে খেতে যেয়ে।
কক্সবাজারে মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভালে খেলতে এসে বৃহস্পতিবার নাসিরকে অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা জানান বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান। পাশাপাশি ক্রিকেটারদের দিয়েছেন সতর্কবার্তাও।
‘আমরা নাসিরকে অস্ট্রেলিয়া পাঠাতে সহযোগিতা করছি। ওর সঙ্গেও কথা হয়েছে। এছাড়া ইনজুরি তো খেলারই অংশ। কিন্তু ক্রিকেটারদেরও সতর্ক থাকতে হবে। কারণ ক্যারিয়ারে প্রভাব পড়ে। এখন ছয় মাস মাঠের বাইরে থাকবে। এখান থেকে রিকভার করাটাও তো কঠিন। এজন্যই বলবো, ক্রিকেটারদের এ ধরণের অসতর্কতা থেকে বিরত থাকা উচিত।’
ইয়াংয়ের অ্যাপয়েনমেন্ট পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিসিবির চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরী বললেন, ‘নাসিরকে অস্ট্রেলিয়াতে দেখবেন ডেভিড ইয়াং। তিনি একটি ভিসা লেটারও পাঠিয়েছেন নাসিরের নামে। এখন বিসিবির লজিস্টিক বিভাগ ভিসা প্রসেসিং করে তাকে পাঠাবে।’
গত ৮ এপ্রিল নাসিরের ডান হাঁটুর এন্টেরিয়র ক্রসিয়েট লিগামেন্ট (এসিএল) ছিঁড়ে যায়। সাধারণত ফুটবলার, হকি ও বাস্কেটবল খেলোয়াড়দের হাঁটুতে এমন ইনজুরি স্বাভাবিক ঘটনা। ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে এ ধরণের ইনজুরি খুবই কম। বাংলাদেশ দলে খেলা ক্রিকেটারদের মধ্যে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার পর দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এমন ইনজুরিতে পড়েছেন নাসির। অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হতে তার লেগে যাবে ৬ মাসেরও বেশি।







