মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলার জন্য প্রস্তুত ছিলো; কিন্তু ১০ মিনিট আগে তিনি সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেন। ইরান একটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার জবাবে ট্রাম্প ওই হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ট্রাম্পের টুইটবার্তার জবাবে তেহরান বলেছে, ইরানে মার্কিন হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যসহ পুরো বিশ্ব এর জবাব দেবে।
তেলের ট্যাংকারে হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করা নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই সোমবার মার্কিন একটি ড্রোন ভূপাতিত করে ইরান। তেহরান জানায়, পাইলটহীন উড়োজাহাজটি ইরানের আকাশসীমায় প্রবেশ করলে এটিকে ধ্বংস করা হয়। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ছিলো, ইরান নয়; আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় ড্রোনটিকে ধ্বংস করা হয়।
শুক্রবার এক টুইটবার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ড্রোন ভূপাতিত করার জবাবে হামলার সব প্রস্তুতি নিয়েছিলো যুক্তরাষ্ট্র। হামলার জন্য ৩টি স্থান নির্দিষ্টও করা হয়েছিলো। ট্রাম্প জানান, শেষ পর্যন্ত হামলা চালানো হলে দেড়শ’ মানুষের মৃত্যু হতো। আর এ জন্যেই নাকি শেষমেষ হামলা চালানো হয়নি।
বার্তা সংস্থা এপিকে ট্রাম্পের বক্তব্যের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত করেছেন এক মার্কিন সেনা কর্মকর্তা। নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, পেন্টাগন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করেছিলো ইরানে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্য অস্থিতিশীল হয়ে পড়তে পারে।
দুই ইরানি কর্মকর্তার বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ট্রাম্প ওমানের মাধ্যমে তেহরানকে সম্ভাব্য হামলা সম্পর্কে হুঁশিয়ার করেছিলেন।
ট্রাম্পের টুইটবার্তার প্রতিক্রিয়ায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইরানে হামলা হলে তার ফলাফল হতো ভয়াবহ।
সবপক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস। ইরান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় সোমবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বৈঠক আহ্বান করেছে যুক্তরাষ্ট্র।








