মার্কিন নির্বাচনে প্রভাব ঠেকাতে উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
নানা গুজবের ছড়াছড়ির পর এক বিবৃতিতে অ্যাসাঞ্জের ব্যাপার স্পষ্ট করে ইকুয়েডর। তবে অ্যাসাঞ্জের ইন্টারনেট বন্ধের পেছনে ওয়াশিংটনের কোনো চাপ ছিল না বলেও জানিয়েছে ইকুয়েডর।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘একুয়েডর সরকার ভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চায় না এবং কারো নির্বাচনী প্রচারণাকে প্রভাবিত করতেও চায় না।’
মাত্র একদিন আগে উইকিলিকস হিলারি ক্লিনটনের একটি পুরনো বক্তৃতা ফাঁস করে। ধারণা করা হয় এই ভিডিওটি তারা সংগ্রহ করেছে হিলারির নির্বাচনী প্রচারণা কর্মকর্তা জন পোডেস্টার হ্যাক করা ই-মেইল থেকে। যদিও একুয়েডরের বিবৃতিতে এই ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়নি।
দুইদিন আগে গুজব ছড়ায় জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ মারা গেছেন। তার সাথে কিছুতেই সাংবাদিকেরা যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। এরই মধ্যে জানা যায় হলিউড অভিনেত্রী পামেলা অ্যান্ডারসন অ্যাসাঞ্জের জন্য খাবার নিয়ে গিয়েছিলেন।
সবাই দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাতে গিয়ে পামেলাকেই অ্যাসাঞ্জের হত্যাকারী বানায়। জোর গুজব ওঠে পামেলা জুলিয়ানের খাবারে বিষ মসিশিয়ে তাকে মেরে ফেলেছেন!
তাই সব গুজবের অবসান ঘটাতে একুয়েডর দূতাবাস জানিয়েছে মঙ্গলবার তারা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের সব ই ন্টারনেট লাইন কেটে দিয়েছে।
দুর্নীতিবিরোধী কর্মী অ্যাসাঞ্জ ২০১২ সালে লন্ডনে অবস্থিত ইকুয়েডর দূতাবাসে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন। যৌন হয়রানির অভিযোগে সুইডেনে প্রত্যাবর্তন এড়াতেই তিনি সেখানে অবস্থান করছেন।
তবে ইন্টারনেট বন্ধের পর প্রশ্ন উঠেছে ইকুয়েডর সরকারও তাকে আর আশ্রয় দেবে কি না? যদিও বিবৃতিতে এমন কোন ইঙ্গিত দেয়া হয়নি।








