ভারত থেকে বানের পানিতে ভেসে আসা হাতি ‘বঙ্গবাহাদুর’ জামালপুরে মারা গেছে। টানা তিনবার চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগের পর নিস্তেজ হয়ে যাওয়া হাতিটি মঙ্গলবার সকাল সাতটার দিকে মারা যায়।
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রথম দফায় বঙ্গবাহাদুরকে চেতনানাশক ওষুধ দিয়ে অচেতন করে পায়ে ও শরীরে শিকল-দড়ি দিয়ে একটি আমগাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। এরপর শনিবার বেলা ১১টার দিকে বঙ্গবাহাদুর শিকল আর দড়ি ছিঁড়ে কাছের একটি জলাশয়ে নেমে যায়।
গত রোববার দ্বিতীয় দফায় বঙ্গবাহাদুরকে চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু ওষুধের মাত্রা কম হওয়ায় হাতিটির অচেতন হতে দেরি হয়। পরে আবারো চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। কিছুক্ষণ পর হাতিটি ঝিমিয়ে পড়ে।
শিকল ছেঁড়ার ভয়ে তাকে পর্যাপ্ত খাবার দেওয়া হয়নি। ফলে হাতিটি ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে। সোমবার বঙ্গবাহাদুর কাদার মধ্যে পড়েছিল।
গত ২৮ জুন ভারতের আসাম থেকে পাহাড়ী ঢলে বাংলাদেশের কুড়িগ্রামে ভেসে আসে বুনো হাতিটি। এর পর হাতিটি কুড়িগ্রাম, জামালপুর, গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে বানের জলে ভেসে বেড়ায়। অবশেষে গত বৃহস্পতিবার আলোচিত হাতিটি উদ্ধার করে বনবিভাগ








