যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার আদালতে মামলার মুখে পড়ছে ফেসবুকের ফেসিয়াল রিকগনিশন বা মুখ শনাক্তকরণ একটা বিশেষ ফিচার।
কোনো ছবি অন্য কেউ নিজের প্রোফাইলে আপলোড বা ট্যাগ করতে চাইলে নোটিফিকেশন দিয়ে ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দিতো এই ফিচারটি।
মামলার অভিযোগ, এই ফিচারটি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কোনো সম্মতি ছাড়াই বায়োমেট্রিক উপায়ে সব তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এছাড়াও কোনো বন্ধু বা পরিচিত কেউ যদি ব্যবহারকারীকে ট্যাগ সাজেশন করে এই প্রযুক্তির মধ্য দিয়ে তার প্রোফাইলে ছবি আপলোড করার সাথে সাথে ট্যাগে থাকা ব্যবহারকারীদের সব তথ্য ফেসবুকের কাছে সংরক্ষিত থাকে। যা ইলিনয় রাজ্যের আইন ভঙ্গ করে।
তবে ফেসবুক ককর্তৃপক্ষ বলছে, এই অভিযোগের কোনো সুনির্দিষ্ট যুক্তি নেই। তাই তারা এর বিরুদ্ধে জোড়ালো অবস্থান নিবে।
ফেসবুক আরও জানায়, এটি ব্যবহারকারীর প্রোফাইল সুরক্ষিত রাখতে যথেষ্ট ভুমিকা রেখেছে। অন্য কেউ ছবি আপলোড দিচ্ছে- তা জানতে পারলে ব্যবহারকারী সেই মুহূর্তেই সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়ারও ব্যবস্থা রয়েছে। ফিচারটি অপ্রয়োজনীয় মনে হলে তা অফ করে রাখা যাবে। সেটিংসেই রয়েছে এর টার্ন অফ বা টার্ন অন অপশন।
সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের জেলা জজ জেমস ডোনাট জানিয়েছেন, শুধু এক শ্রেণির ফেসবুক ব্যবহারকারী এই সমস্যার মধ্যে পরেছে তাই এটা আইনি বাধা তৈরি করতে পারে।
২০১১ সালের ৭ জুনে ইলিয়নিয়ার এক শ্রেণির ফেসবুক ব্যবহারকারী ‘ফেসিয়াল রিকগনিশন’ ফিচারটি সম্পর্কে প্রশ্ন তুলে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে বিচার ওঠে ফেসবুকের রিকগনিশন নিয়ে।







