ঢাকা মহানগরীকে সড়কপথ, রেলপথ ও নৌপথের মাধ্যমে ঢাকাকে বৃত্তকার করা হবে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রতিদিন কাজের জন্য ঢাকার আশ-পাশ থেকে বহু মানুষ ঢাকামুখী হন। সেসব মানুষ যেন দিনে এসে আবার দিনে বাড়ি ফিরে যেতে পারেন সেজন্য ঢাকাকে কেন্দ্র করে তিনটি যোগাযোগ মাধ্যম আরো সুদৃঢ় করা হবে।
রোববার মেট্রোরেল প্রকল্পের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ আর্থসামাজিকভাবে উন্নত হচ্ছে। বর্তমানে প্রত্যেকে গাড়ি কেনার যোগ্যতা অর্জন করেছে। কিন্তু যাদের গাড়ি কেনার এখনো সামার্থ্য হয়নি তাদের জীবন ট্রাফিক জ্যামে জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠে, তাই সেদিকটি নজরে নিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য মেট্রোরেল নির্মাণ করা হচ্ছে। সবাই যেন আনন্দ ভ্রমণের মাধ্যমে যার যার কর্মে যেতে পারে সেই কথায় মাথায় রেখে মেট্রোরেল প্রকল্প।
আগারগাঁও থেকে উত্তরা পর্যন্ত মেট্রোরেলের স্টেশন হবে। তবে একটি স্টেশন থাকবে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত। ২০১৯ সালের মধ্যে যেন ফার্মগেটেও একটি স্টেশন করার আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৬টি স্টেশন বিস্তৃত মেট্রোরেলের মাধ্যমে প্রতিদিন ১৬ হাজার মানুষ ৩৮ মিনিটে যার যার গন্তব্যে পৌঁছে যেতে পারবে।
মেট্রোরেলের পাশাপাশি পাতাল রেল চালুর করার সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ২০১৮ সালের মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। অন্যদিকে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর প্রকল্প কাজের পাশাপাশি সেতুর দু’পারে এক্সপ্রেসবোডের কাজও শুরু হয়েছে। এছাড়াও প্রত্যেক মহাসড়কে আমরা দ্রুতযানের সঙ্গে সঙ্গে ধীরগতির রাস্তার নির্মাণ করছি। এতে করে হাইওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনার মাত্রা কিছুটা হলেও কমবে।
দক্ষিণ অঞ্চলকে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলতে পায়রা সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করা হচ্ছে এছাড়াও লেবুখালি সেতুসহ বেশ কয়েকটি সেতু প্রকল্পের কাজ কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।







