লা লিগায় উত্তেজক মাদ্রিদ ডার্বি নিষ্ফলা। দুই অর্ধ মিলিয়ে বেশকিছু বিক্ষিপ্ত সুযোগ তৈরি করলেও পুরো ম্যাচে দু’দলের কাছেই অধরা থাকে গোল। ফলে, স্কোরবোর্ড ০-০ রেখেই মাঠ ছাড়তে হয় রিয়াল মাদ্রিদ ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে।
শেষদিকে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলেন রিয়াল-অ্যাটলেটিকো’র আক্রমণভাগের ফুটবলাররা। ম্যাচ শেষের ১৫ মিনিট আগে সহজতম সুযোগটি হাতছাড়া করেন করিম বেনজেমা। রিয়ালের ফরাসি স্ট্রাইকারের দুর্দান্ত হেড এযাত্রায় প্রতিহত করেন অ্যাটলেটিকো গোলরক্ষক ইয়ান ও’ব্লাক।
প্রাক-মৌসুমের এক ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদকে সাত গোলের লজ্জা দিয়েছিল অ্যাটলেটিকো। এই ম্যাচের আগে তাই জোরাল আলোচনায় ছিল সেই ম্যাচ। যদিও শেষ পর্যন্ত গোলের তালাই খুলতে ব্যর্থ হয়েছে দুদল।
প্রথমার্ধে আধিপত্য ছিল রিয়াল মাদ্রিদের। তারা চেষ্টা করেছিল প্রতিপক্ষের গোলমুখ খুলতে। এই কাজে গ্যারেথ বেল-করিম বেনজেমা জুটির উপরে ভরসা রেখেছিলেন কোচ জিনেদিন জিদান। তবে দুর্বল মাঝমাঠ থেকে আক্রমণে গতি আসছিল না কিছুতেই। এরমধ্যেই টনি ক্রসের দুর্দান্ত শট প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক আটকে দেন। যে কারণে গোলশূন্য থেকেই বিরতিতে যেতে হয় রিয়ালকে।
দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের দারুণ সেযোগ পেয়েছিলেন গ্যারেথ বেল। কিন্তু ৫৭ মিনিটে নাচোর বাড়ানো বল ফাঁকায় পেয়ে দুর্বল শট নেন রিয়ালের ওয়েলস তারকা। এরপর ম্যাচের ৭৪ মিনিটে গোল মিস করেন করিম বেনজেমা।
ম্যাচের শেষদিকেও অ্যাটলেটিকো শিবিরে একের পর এক আক্রমণ করে রিয়াল। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি। অন্যদিকে অ্যাটলেটিকো খুব একটা আক্রমণে যায়নি। নিজেদের রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত ছিল তারা।
এই ড্র’র পরও সাত ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রিয়াল। সমানসংখ্যক ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে তিনে অ্যাটলেটিকো। সাত ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট থাকলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় দুই নম্বরে গ্রানাডা। সাত ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে চারে বার্সেলোনা। এক ম্যাচ কম খেলে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ পাঁচের অন্য দল রিয়াল সোসিয়েদাদ।








