রাজধানীর লালবাগে নিহত পাইটু রানা মাদকের কারবারের কারণে খুন হতে পারে বলে পুলিশ জানিয়েছে। নিহত রানা লালবাগের শহীদনগরের কুখ্যাত মাদক বিক্রেতা শুকানিয়া বাদলের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত ছিল। এছাড়া এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাদ্দাম হোসেন নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার গভীর রাতে রাজধানীর লালবাগের খান মসজিদ এলাকার চার রাস্তার মোড়ে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের চাপাতির আঘাতে পাইটু রানা খুন হন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত ১২টার কিছুক্ষণ আগে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা রানার উপর আচমকা হামলা চালিয়ে গলাকেটে রানাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
রানার পিতার নাম আব্দুল হাই। লালবাগের শহীদনগরের বেড়িবাঁধ আদা গলি এলাকার বাসিন্দা ছিল রানা। দুই ভাই আর দুই বোনের মধ্যে নিহত রানা সবার বড় ছিল।
লালবাগ থানার ডিউটি অফিসার কামাল উদ্দিন চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান: নিহত রানা পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও লালবাগের শহীদনগরের কুখ্যাত মাদক বিক্রেতা শুকানিয়া বাদলের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত ছিল। মাদক কারবারের জেরে ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে।
রানা হত্যাকাণ্ডের রহস্য দ্রুত উদ্ঘাটন করা যাবে জানিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার নাজির আহমেদ খান চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: রানা ৫-৬টি মামলার আসামি ছিলেন। প্রায় দুই বছর আগে সংগঠিত সাবু হত্যা মামলার আসামি তিনি।
‘হত্যা মামলা ছাড়াও তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ছিনতাই এবং মাদকের মামলা ছিল। তবে কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাদ্দাম হোসেন নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।’
নাজির আহমেদ খান জানান: নিহত রানার গলা এবং পেটসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি চাপাতির কোপ রয়েছে।









