মাগুরা জেলা জাসদের উদ্যোগে কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৫ এপ্রিল বিকেলে মাগুরা জেলা জাসদের উদোগে শহরের ফাতেমা কমিউনিটি সেন্টারে কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মীসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরি কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমন চুন্নু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরি কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আলিম স্বপন এবং জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরি কমিটির সদস্য জাহিদুল আলম।
কর্মীসভায় সভাপতিত্ব করেন মাগুরা জেলা জাসদের সভাপতি সৈয়দ অহিদুল ইসলাম ফনি। সভা পরিচালনা করেন জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক সমীর চক্রবর্তী।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চুন্নু বলেন, দেশে উন্নয়নের পাশাপাশি কোটি কোটি টাকা পাচার হচ্ছে। সর্বত্র দুর্নীতি আর অপচয় বেড়েই চলছে। একশ্রেণীর সিন্ডিকেট লুটপাটের আসর বসিয়েছে। এ কারণেই সবার জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আবাসন এখনও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষ দুর্নীতিবাজ নন, তারা দেশপ্রেমিক। সাধারণ মানুষের হ্নদয়ের হাহাকার আমরা শুনতে পাচ্ছি। সরকারকে তাই এ সব বিষয় আমলে নিতে হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলীম স্বপন বলেন, জাসদ জোট সরকারের অংশীদার হলেও সঠিক জায়গায় দাঁড়িয়ে রাজনীতি করছে। জাসদ সবসময়ই অন্যায়ের প্রতিবাদ করছে। এ কারণে জাসদের নেতা কর্মীরা এখনও সর্বত্র নিগৃহীত হচ্ছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় কার্যকরি কমিটির সদস্য জাহিদুল আলম বলেন, দেশের উন্নতি হচ্ছে, মেঘা প্রকল্পের সংখ্যা বাড়ছে সত্য, কিন্ত নিম্ন আয়ের মানুষ যখন টিসিবির ট্র্যাকের পেছনে দৌঁড়ায় তখন সেই উন্নয়ন কতোটা জনমুখী হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। সঠিক নীতি গ্রহণ না করার কারণে সমাজে ধনী দরিদ্রের বৈষম্য আরও প্রকট হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সভায় আরও বক্তব্য প্রদান করেন ঝিনাইদহ জেলা জাসদের সভাপতি চন্দন চক্রবর্তী, মাগুরা জেলা জাসদের সহ-সভাপতি মিয়া ওয়াহিদ কামাল বাবলু, সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দিলু, সহ-সভাপতি বিমল কুমার বিশ্বাস, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মৃধা খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান ফিরোজ, জেলা নারী জোটের আহবায়িকা অ্যাডভোকেট আমেনা খাতুন লাবনী, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিরুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সভায় জাসদের সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। সভাশেষে সবাইকে ইফতার দিয়ে অ্যাপায়ন করা হয়।








