মহাসড়কে তিন চাকার যানবাহন নিষিদ্ধের প্রতিবাদে আজ তৃতীয় দিনেও নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছে সিএনজি মালিক ও চালকরা। একই দাবিতে নারায়ণগঞ্জ ছাড়াও বিক্ষোভ হয়েছে সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায়।
সকাল এগারোটায় বিক্ষোভকারীরা ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড, মৌচাক, শিমরাইল মোড় ও কাঁচপুর, মদনপুর এলাকায় দফায় দফায় সড়ক অবরোধ করে।
এ সময় পুলিশ অবরোধকারীদের ধাওয়া করলে সংঘর্ষ বাঁধে। বিজিবি ও পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হয় কমপক্ষে ১০জন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৬ জনকে আটক করে।
এ সময় ঢাকা-চট্রগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
এক ঘন্টা পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে মহাসড়কে পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়।
সিরাজগঞ্জ জেলার কয়েক হাজার সিএনজি চালিত অটোরিক্সা মালিক ও শ্রমিক রোববার বিকেলে সিরাজগঞ্জ হাটিকুমরুল গোলচত্বরে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করে। সমাবেশ শেষে মালিক ও শ্রমিকরা বগুড়া-নগরবাড়ি, বগুড়া-ঢাকা, রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করে।
এসময় মহাসড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ থাকে। সমাবেশে বক্তারা আগামী ৬ আগষ্টের মধ্যে দাবী মেনে নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান। অন্যথায় দাবী আদায়ে পরবর্তীতে বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন।
বগুড়াতেও শহরের পার্ক রোড হতে বগুড়া জেলা সিএনজি অটোরিক্সা ও অটোটেম্পু পরিবহন মালিক সমিতির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে খোকন পার্কে এসে শেষ হয়। সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে দাবী না মানা হলে আগামীতে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেয়া হবে বলে জানানো হয়। পরে সাত মাথায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
তবে হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে এমন সব বিক্ষোভ-সমাবেশের মধ্যেই খুলনায় মহাসড়কে চলছে অটোরিক্সা, ইজবাইক, টেম্পু, নছিমন করিমন, ইঞ্জিন চালিত ভ্যানসহ বিভিন্ন ধরনের অযান্ত্রিক যানবাহন। মহাসড়কে এসব যানবাহন নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
সোমবার দুপুরে এসব যানবাহন চালুর দাবীতে নরসিংদী ও কুষ্টিয়া শহরেও বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিল দুটি দুই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। সবশেষে দুই জেলাতেই জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।






