চ্যানেল আই অনলাইন
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • স্বাস্থ্য
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

‘মহাজোট সরকার প্রত্যাশিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ’

অনলাইন ডেস্কঅনলাইন ডেস্ক
৫:৩৮ পূর্বাহ্ন ০৭, ডিসেম্বর ২০১৫
বাংলাদেশ
A A

চরম বিতর্কিত কিন্তু আইনসিদ্ধ একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বর্তমান মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এলেও প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা করতে এ সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ড. বদিউল আলম মজুমদার। সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক এবং দ্যা হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের এ কান্ট্রি ডিরেক্টর চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাতকারে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে দেশের ভালো-মন্দ দিক তুলে ধরেছেন। সাক্ষাতকারের উল্লেখযোগ্য অংশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

চ্যানেল আই অনলাইন: কেমন আছেন?
ড. মুজুমদার:
হ্যাঁ, ভাল আছি। ধন্যবাদ।
চ্যানেল আই অনলাইন:
চ্যানেল আই অনলইনের পক্ষ থেকে স্বাগতম। বাংলাদেশ এবং আর্ন্তজাতিক পরিমণ্ডলে আপনার অগাধ জ্ঞান। বাংলাদেশের খুঁটি-নাটি বিষয়ও চোখ এড়িয়ে যায় না। আপনার দৃষ্টিতে দেশ পরিচালনায় বর্তমান সরকারকে কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?
ড. মজুমদার:
বড় কঠিন প্রশ্ন। সরকার দেশ পরিচালনা করছে। এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারী নির্বাচনের মধ্যদিয়ে। যে নির্বাচনে তারা ক্ষমতায় এসেছে তা ছিলো চরমভাবে বিতর্কিত। গণতন্ত্র হলো জনগণের সম্মতির শাসন। সম্মতিটা অর্জিত হয় ভোটের মাধ্যমে। সম্মতির মাধ্যমে একদল ব্যক্তি শাসন কার্য পরিচালনা করে। ওই নির্বাচনটি আইন সিদ্ধ হলেও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ছিলো না। আমরা আশা করেছিলাম যে, তাদের ক্ষমতায় আসাটা যতোটা বিতর্কিত ছিলো তারা ক্ষমতায় এসে সত্যিকারে গণতান্ত্রিক শাসন, সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মনোনিবেশ করবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেই ক্ষেত্রে ইতিবাচক ফলাফল দেখছি না।

সুশাসন মানে কি? সুশাসন মানে আইনের শাসন, মানবাধিকার সংরক্ষণ, সুশাসন মানে ন্যায়পরায়নতা, সমতা, সুশাসন মানে স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা, সুশাসন মানে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণে যেসব সিদ্ধান্ত তাদের জীবনে প্রভাব ফেলে। কিন্তু এখন আইনের শাসনের অভাব দেখা যাচ্ছে। আইন প্রয়োগ করা হয় ব্যক্তি বিশেষের, গোষ্ঠি বিশেষের স্বার্থ রক্ষার্থে। যথাযথ ভাবে আইন প্রয়োগ করা হয় না। এটা বিরাট সমস্যা। সবাই এটা জানে। মানবাধিকার প্রতি পদেপদে ভূলুণ্ঠিত। আমাদের এখানে বিচার বহির্ভূতহত্যা, গুমসহ আরো কিছু কিছু মৌলিক স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রতিনিয়ত হরণ হচ্ছে। এগুলোর কোন প্রতিকার নেই। বন্ধ হবার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। সমাজে ন্যায়পরায়নতা নেই। সাধারণ মানুষ, দরিদ্র মানুষ দারুণ ভাবে বঞ্চিত হচ্ছে। জাতীয় সম্পদে তাদের ন্যায্য অধিকার পাচ্ছেনা। গণতান্ত্রিক শাসনতন্ত্রে আরেকটি বৈশিষ্ট হচ্ছে স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা। স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চত হলে দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়ন দূর করা সম্ভব। কিন্তু আমাদের দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়ন লাগামহীন, সর্বগ্রাসী-সর্বস্তরে। প্রশাসন ও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় তা হচ্ছে।

চ্যানেল আই অনলাইন: তাহলে কেন এমন হচ্ছে?
ড. মজুমদার:
তাদের ফায়দা প্রদানের রাজনীতি, অন্যায় করে পার পেয়ে যাবার রাজনীতি, পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতির কারণেই এমন হচ্ছে। আইন যথাযথ ভাবে প্রয়োগ হয় না। যারা ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে যুক্ত নয় আইন প্রয়োগ ও শাস্তি তাদের হয়। আইন প্রয়োগ হয় যারা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাদের প্রতি। সার্বিক অর্থে অনেকেই আমাদের আশাবাদী করেছিলো, ২০১৪সালের নির্বাচনটা বিতর্কিত নির্বাচন হলেও সরকার ক্ষমতায় এসে মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করবে, সুশাসন কায়েম করার চেষ্টা করবে। কিন্তু সামনের দিনগুলোতেও তার কোন আভাস নেই।

চ্যানেল আই অনলাইন: প্রথমবারের মতো স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হচ্ছে। দলীয় প্রতীক ও দলীয় ভাবে স্থানীয় নির্বাচন কতোখানি নিরেপেক্ষ হবে বলে মনে করেন?
ড. মজুমদার:
দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলে অনেকগুলো ঝটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। তার মধ্যে অন্যতম মনোনয়ন বাণিজ্য, বিভিন্ন ভাবে প্রভাব খাটানো। কিছুক্ষণ আগেই এক সাংবাদিক আমাকে ফোন করে আমার মতামত জানতে চাইছিলেন যে, তারা শুনেছেন তৃণমূল থেকে কোটি কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্য হয়েছে। দুর্নীতির কারণে এবং আইনের শাসনের অভাবে যারাই ক্ষমতায় যায় তারা অপকর্ম করতে পারে, লুটপাট করতে পারে এবং পার পেয়ে যেতে পারে।

তাই যেকোন মূল্যে পেশিশক্তি, বিত্ত যাই কিছু প্রয়োগ দরকার তা প্রয়োগ করে ক্ষমতায় যেতে হবে। সেক্ষেত্রে মনোনয়ন বাণিজ্যের সম্ভাবনা ব্যাপক। কিছু কিছু ক্ষেত্রে হানাহানিও হতে পারে। আরেকটি বিষয় হলো, পৌরসভা নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে হওয়ার ফলে ক্ষমতাসীন দলের একছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হতে পারে। এমনিতেই কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশাসনের নির্বাহী বিভাগে তাদের সর্বময় ক্ষমতা। সংসদেও তাদের নিয়ন্ত্রণ। জেলা পরিষদে দলীয় ভাবে জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার কারনে জেলা প্রশাসন তাদের নিয়ন্ত্রণে।

Reneta

উপজেলা পরিষদে স্থানীয় এমপিরা তাদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। এখন কিছু বাকি আছে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। আমার আশঙ্কা দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ার ফলে আমাদের পক্ষপাতদুষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন চেষ্টা করবে ক্ষমতাসীন দলের যারা মনোনিত তারা যেন ব্যাপক হারে জিতে আসে।

যার ফলে সর্বক্ষেত্রে ক্ষমতাসীনদের নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হতে পারে যেটা গণতন্ত্র ব্যবস্থার জন্য ভাল নয়। গণতন্ত্র হলো সবাইকে সাথে নিয়ে অগ্রসর হওয়া। সর্বক্ষেত্রে বিরোধী দলের সরব উপস্থিতি। এটা যদি ব্যাহত হয় তাহলে গণতন্ত্র ব্যবস্থার জন্য ভাল নয়। এমনিতেই আমরা খাদে পড়ে গিয়েছি এবং এই খাদ থেকে উঠে আসা আরো কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

চ্যানেল আই অনলাইন: কি ব্যবস্থা গ্রহণ করলে তা থেকে উত্তরণ সম্ভব বলে মনে করেন?
ড. মজুমদার:
ইট্স্ ঠু লেট। আমার মনে হয় এটা দেরি হয়ে গেছে। যদি তৃণমূল থেকে একটা প্রক্রিয়ায়, ভোটাভুটির মাধ্যমে মনোনয়ন দেয়া যেতো তাহলে হয়তোবা আমরা কিছুটা এড়াতে পারতাম। যেমন আমাদের জাতীয় সংসদের ক্ষেত্রে ছিলো। যে অধ্যাদেশ জারি হয়েছিলো ২০০৮ সালে। সে অধ্যাদেশে ছিলো সংসদ সদস্য পদে মনোনয়নের জন্য দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ভোটের মাধ্যমে একটি প্যানেল তৈরি করবে এবং মনোনয়ন বোর্ড সেই সেই প্যানেল থেকে একজনকে মনোনয়ন দিবে।

তার মানে যাকে ইচ্ছা তাকেই মনোনয়ন দেয়া যাবে। ওই রকম একটা ব্যবস্থা হলে হয়তোবা তৃণমূলে যাদের জনপ্রিয়তা বেশী তারাই মনোনয়ন পেতো। এখন নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। এই মুহূর্তে কিছু করা সম্ভব নয়।

চ্যানেল আই অনলইন: একটু অন্য বিষয়ে আসি। সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীতা তৈরির সৃষ্টি ও এর সঙ্গে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালের যোগসূত্র খুঁজে পান কিনা?
ড. মজুমদার:
আমি মনে করি যুদ্ধাপারাধীদের বিচারের ব্যাপারে ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে এবং এ ব্যাপারে কেউ অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করতে পারবে না। যারা এটার বিরোধীতা করছেন তাদের বিরোধীতা করেও কোন লাভ নেই। কারণ এটি একটি জনপ্রিয় কার্যক্রম। জানিনা, সরকার এক সময় বলে জঙ্গি আছে, জঙ্গি নাই। আইএস আছে, আইএস নাই। একসময় তারা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দোষারোপ করে এবং তারা বলছে যে তাদের কাছে তথ্য আছে তারা গ্রেফতার করেছে। কিন্তু এই গ্রেফতার নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আমি নিশ্চিত নই যে সরকারে কাছে সুস্পষ্ট কোন তথ্য আছে কিনা।

চ্যানেল আই অনলাইন: বর্তমান সময়ের একটি আলোচিত বিষয় হচ্ছে সরকারের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত। এ বিষয়ে আপনার মতামত কি?
ড. মজুমদার:
জানিনা, আসলে কেন করছে। কারা করছে। সরকারের উচিত আমাদের জানানো। আমরা যেন বিভ্রান্ত না হই এবং গুজব না ছড়ায়। যখনই তথ্য ঘাটতি থাকে তখনি বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়, গুজব ছড়ায়। সরকারতো বলছিলো তারা দ্রুত রহস্য উৎঘাটন করবে। সরকার একেকবার একেকজনকে দোষারোপ করে তারা নিজেরই সন্দেহের শিকার হচ্ছে।

আর ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করা হয়েছে কারণ জঙ্গিরা এসব ব্যবহার করে সংঘঠিত হয়ে বিভিন্ন নাশকতা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। কিন্তু যারা জঙ্গি, তারা যদি সত্যিকারের অর্থে জঙ্গি হয়। তারা যদি সংঘঠিত হয়। তাদের এক্ষেত্রে আরও বেশি পটু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আর এছাড়াও এসব বন্ধ করেতো নাশকতা বন্ধ করতে পারেনি।

চ্যানেল আই অনলাইন: আবার নির্বাচনের বিষয়ে আসি। ৫ই জানুয়ারী বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি কিন্তু দলীয় প্রতীকে পৌর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। এবিষয়টিকে কিভাবে দেখছেন?
ড. মজুমদার:
রাজনৈতিক দল যদি নির্বাচনে অংশ না নেয় তাহলে ক্ষমতায় যেতে পারবেনা। রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্যেই হলো ক্ষমতায় যাওয়া। নির্বাচনের মাধ্যমেই একমাত্র ক্ষমতায় আসা সম্ভব। এখানে হয়তো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব হবেনা। এখানে পৌর পর্যায়ে, স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতায় যেতে পারবে। রাজনৈতিক দল যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তাহলে এটা তাদের জন্য ইতিবাচক নয়।

তাদের দলকে সুসংঘত করা, দলকে কার্যকর রাখার প্রয়োজনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হয়। আমারতো মনে হয় রাজনৈতিক দলের নিজেদের স্বার্থেই তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা উচিত এবং তারা করছে।

চ্যানেই আই অনলাইন: আপনার মতে তাহলে বিএনপি ভাল সিদ্ধান্ত নিয়েছে ?
ড. মজুমদার:
হ্যাঁ এটা ভাল সিদ্ধান্ত। তবে তারা তাদের নির্বাচনী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির ক্ষেত্রে তারা একটু অস্বস্তিকর অবস্থানে রয়েছে। কারণ তাদের অনেক ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছে, যারা আবার তাদের সম্ভাব্য প্রার্থী। এ নিয়ে তারা অসুবিধার মধ্যে আছে এটা সত্য। আমারতো মনে তারা সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে।

চ্যানেল আই অনলাইন: আপনাকে আবারো অনেক ধন্যবাদ স্যার।
ড. মজুমদার:
আপনাকেও ধন্যবাদ। চ্যানেল আইয়ের পাঠক, দর্শক সকলের প্রতি শুভেচ্ছা। চ্যানেল আই অতীতেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিশেষত করে তরুণদের আত্ম-কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায়, মানুষের উন্নয়নে, এমনকি চ্যানেল আই সুজনকেও সহায়তা করেছে। আমি চ্যানেল আইকে ধন্যবাদ জানাই। আমি আশা করি তাদের ভাল কাজের যে ধারাবাহিকতা তা রক্ষা করবে। উত্তর উত্তর চ্যানেল আই আরো সফলকাম হবে।

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: ৫ জানুয়ারির নির্বাচনড. বদিউল আলম মজুমদার
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

বড় জয়ে শীর্ষ ধরে রাখল বার্সেলোনা

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬

জয় পেল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড-আর্সেনাল-চেলসি

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬

‘পাকিস্তান জিতেনি, আমরা খেলাটি হেরেছি’

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু ভারতের

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬
ছবি ‍সংগৃহীত

নির্বাচনে কোনো ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সুযোগ নেই : ইসি মাছউদ

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT