দিনাজপুরের কাহারোলে ইসকন মন্দিরে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ৩৩ রাউন্ড গুলি এবং এসএমজিসহ মুসাব্বির আলম খন্দকার নামে আরো একজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে জনতা। এর আগে সাধারণ মানুষের গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হয় সে। মুসাব্বির পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী।
পুলিশের ধারণা ব্যাপক প্রাণহানীর উদ্দেশ্যে এসএমজি ব্যবহার করতে চেয়েছিলো ঘাতকরা। তবে মন্দিরে উপস্থিত কয়েকজন যুবকের চেষ্টায় ব্যর্থ হয় তাদের পরিকল্পনা। প্রথম গুলির পরপরই পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে স্থানীয়রা। শুক্রবার সকালে তাদের হাতেই এসএসজিসহ আটক হন মুসাব্বির। রাতে ঘটনার পর আটক করা হয় আরেক হামলাকারীকে।
ঘটনার পর বনের মধ্যে লুকিয়ে থাকা মুসাব্বিরকে ধরতে গেলে এলোপাথারি গুলিতে ছুড়তে থাকে সে। এসময় রফিক নামে স্থানীয় এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়। গুলি করতে করতে পালানোর চেষ্টা করেও জনতার হাতে আটক হয়।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দিনাজপুরের পুলিশ সুপার মো. রুহুল আমিন চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ঘটনার পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিলো কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে দিনাজপুরে কীর্তন চলাকালে ইসকন মন্দিরে বোমা হামলা ও গুলি বর্ষণে দুই জন আহত হয়। এসময় উপস্থিত জনতা এক ব্যক্তিকে বোমার থলেসহ আটক করে।
আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর দিনাজপুরের কান্তজিউ মন্দিরের রাস মেলার যাত্রা মঞ্চে দুর্বৃত্তদের বোমা হামলায় ১০ জন আহত হয়।







