আন্তর্জাতিক কিংবা ঘরোয়া, কোথাও ছন্দে নেই তাসকিন আহমেদ। সদ্য শেষ হওয়া ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আবাহনীর এ পেসার ছিলেন বেশ খরুচে। ওভারে রান দিয়েছেন ৬.১৮ হারে। ৯ ম্যাচে উইকেট ১৬টি। বাজে বোলিং নিয়ে হতাশা লুকাচ্ছেন না তাসকিনও। শনিবার বিসিবির একাডেমি মাঠে এসে জানালেন, কিছুই নাকি তার মন মতো হচ্ছে না।
‘এটাই সত্য যে, শেষ এক বছর ইকোনমি রেট উপরের দিকে চলে গেছে। পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতা কমে গেছে। এটা আসলে সাউথ আফ্রিকা সিরিজ থেকেই শুরু হয়েছে। আমার মনে হয় আমাকে আরেকটু ফিট হতে হবে। স্কিল নিয়েও কাজ করতে হবে। যেহেতু একটা সময় প্রমাণ করেছিলাম, ভাল খেলা সম্ভব। এটা আবার সামনে হবে। আসলে সব মিলিয়ে একটু ব্যাডপ্যাচ যাচ্ছে সবদিকে। যেটা চাচ্ছি মনের মতো হচ্ছে না। আশা করি ভাল হয়ে যাবে।’
‘৯ ম্যাচে হয়ত ১৬ উইকেট পেয়েছি, কিন্তু এটা যদি ২০-২২ হতো, ইকোনমি রেট ভাল হতো, তাহলে ভাল লাগাটা থাকত। আসলে চেষ্টা তো করেছিলামই, হয়নি। দুর্ভাগ্যবশত হয়নি। আশা করি সামনের দিনগুলো ভাল যাবে, এটাই আশা। হার্ড ওয়ার্ক করবো, কিছু ছোটখাটো ইনজুরি ছিল। ওগুলো ঠিক করে ফেললে, স্কিল নিয়ে কাজ করলে, সামনে আবার ভাল কিছু হবে।’ -বলেন তাসকিন।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে এবার দাপট দেখিয়েছেন পেস বোলাররা। সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির প্রথম পাঁচজনই পেসার। ক্যারিয়ারের শেষদিকে থাকা মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা নিয়েছেন ১৬ ম্যাচে ৩৯ উইকেট, যা রেকর্ড। পঞ্চম স্থানে থাকা নবীন পেসার কাজী অনিকের ১১ ম্যাচে ২৮ উইকেট। লিগে পেসাররা ভাল করে আলোচনায়। উল্টোটা তাসকিনের ক্ষেত্রে, খারাপ করে আলোচনায়!







