রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘মধ্যবর্তিনী’ গল্প থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত হয়েছে নাটক ‘মধ্যবর্তিনী’। নাটকের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাবিলা ইসলাম। নাটকটি নিয়ে নাবিলা জানালেন, এখানে দুটি গল্প সমান্তরাল চলে।
নাটকের চরিত্র নিয়ে তিনি বলেন, আমি হলাম পরিবারের ছোটমেয়ে। আমার ভাইয়া এবং ভাবি হলেন আনিসুর রহমান মিলন ও সোহানা সাবা। তারা নিঃসন্তান। অন্যদিকে ভাবিকে আমি মায়ের মতো জানি। সেও আমাকে মেয়ের মতো স্নেহ করে। সন্তান লাভের আশায় মিলন ভাই আবার বিয়ে করেন। এর মধ্যে জেদের বসে আমি কল্যাণ ভাইকে বিয়ে করি। বিয়ের পর আমার স্বামীর মুখোশ খুলে যেতে থাকে। জানতে পারি, একটা উদ্দেশ্যে সে আমাকে বিয়ে করে। এভাবে চলতে গল্প। নানা বাঁকবদল আর ক্লাইম্যাক্স।
নাবিলা জানান, তার চরিত্রের নাম মিলি। পুরোপুরি পারিবারিক গল্পের নাটক। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে নাটকটি। ১৪ জুলাই নাটকটি দীপ্ত টেলিভিশনে প্রচারে এসেছে।

ঈদুল আজহার নাটকের শুটিংয়ে নাবিলা ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার বালিতে। সেখান থেকে চ্যানেল আই অনালাইনকে রবিবার ‘মধ্যবর্তিনী’ নিয়ে বলেন, এই নাটকের গল্প বলার ধরনটাই অন্যরকম। আমাদের সিরিয়ালগুলো একটা চিত্রনাট্যের মধ্যে থেকে কাজ করি। অনেকসময় চেঞ্জ হয়। কিন্তু মধ্যবর্তিনীর চিত্রনাট্য একেবারে ছকে বাঁধা। আমরা জানি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কি হবে।
চরিত্রগুলো গল্পের মধ্যে থেকে নেওয়া। শুধু একটু ইমপ্রোভাইজ করে নতুন ঢংয়ে বানানো হয়েছে নাটকটি। এই গল্পটা আমার আগে থেকে পড়া।
জানা গেছে, মধ্যবর্তিনী শনি-বৃহস্পতিবার সপ্তাহে ছয় দিন সন্ধ্যা ৬টা ও রাত সাড়ে ৮টায় (রিপিট) প্রচারিত হচ্ছে। ধারাবাহিকটি রচনা করেছেন আহমেদ খান হীরক, পরিচালনা করেছেন রাজু খান।
নাবিলা ইসলাম নেপাল থেকে ফিরে গেল ৪ জুলাই উড়াল দিয়েছেন বালিতে। সেখানে পাঁচ নাটকের শুটিং শেষে সোমবার সকালে দেশে ফিরেন তিনি। জানান, তার অভিনীত নাটকগুলোর নির্মাতা সাখাওয়াত মানিক। সহশিল্পী সজল। সেখানে একই ইউটিউনের শুটিং করছেন তৌসিফ মাহবুব, সাফা কবির, মম প্রমুখ।








