নেপালে ইউএস বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ৫১ জন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশর যাত্রী আছেন ২৮ জন। নিহতদের শোকের মাতম কাটতে না কাটতেই গণমাধ্যমগুলো এই দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে নেমেছে। সেটা করতে গিয়ে দুর্ঘটার কারণ হিসেবে বেশকিছু বিষয় সনাক্ত করেছে তারা।
আগে পিছে কোনকিছু না ভেবে গণমাধ্যমের এসব কারণ অনুসন্ধান নিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন।
তিনি লিখেছেন: মত প্রকাশের অবাধ স্বাধীনতার মাধ্যমে আমরা সম্প্রতি কী জানতে পেরেছি …
১. আবিদ হাসান দক্ষ পাইলট ছিলোনা, তিনি অপরিপক্ক ছিলেন। কিন্তু আবিদ হাসানের প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন বলেছে তিনি দেশের দক্ষ পাইলটদের মধ্যে অন্যতম একজন ছিলেন।
২. সহযোগী পাইলট পৃথুলা রশিদ মহিলা পাইলট বিধায় দুর্ঘটনা ঘটেছে। তার কাপড় চোপড়ও শরীয়ত সম্মত ছিলোনা। অথচ বিদেশি মিডিয়া পৃথুলা রশিদকে “ডটার অব বাংলাদেশ” উপাধিতে ভূষিত করেছে। কারণ তিনি নিজের জীবন দিয়ে কমপক্ষে ১০ জনের জীবন বাঁচিয়েছেন।
৩. এয়ার ক্রাফট এর ইঞ্জিনে গোলমাল ছিলো। অথচ কোনো বৈমানিকেরই ত্রুটিযুক্ত এয়ার ক্রাফট নিয়ে উড্ডয়ন না করার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। কোনো বৈমানিক তা করেনও না।
এইসবকে মত প্রকাশের অবাধ স্বাধীনতা না বলে অবৈধ স্বাধীনতা বলা উচিত।








