পায়ের পেশিতে টান নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন মঙ্গলবার। আব্দুল মজিদ বুধবার বাইশ গজে ফেরেন অস্বস্তিটা নিয়েই! তবে ব্যাটে সেটার প্রভাব ছিল না। সেন্ট্রাল জোনের এ ব্যাটসম্যান ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন দিনের শুরুর ভাগেই। পরের ভাগে ইস্ট জোনের লিটনের ব্যটে এসেছে দুর্দান্ত এক শতক।
রাজশাহীতে তাতে সেন্ট্রালের প্রথম ইনিংসে করা ৫৪৬ রানের জবাবে দারুণ গতিতেই এগোচ্ছে ইস্টরা। ৩ উইকেটে ২৬৪ রান তুলে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে।
মেহেদী মারুফ ১৩ ও অধিনায়ক মুমিনুল হক ৬ রানে ফিরে গেলে জুটি বাধেন লিটন এবং তাসামুল হক। বিচ্ছিন্ন হন ১৪৮ রান যোগ করে। তাসামুলের (৬৭) বিদায়ে ভাঙে জুটি।
লিটনকে আউট করা যায়নি। ১৩৯ রানে অপরাজিত আছেন এ উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান। প্রথম শ্রেণিতে নিজের ১২তম সেঞ্চুরি তুলে। ২৩ চার ও এক ছক্কায় ১২৫ বলে ওয়ানডে গতিতেই দিনের ইনিংসটি সাজিয়েছেন। আফিফ হোসেনকে (৩১*) নিয়ে গড়া অবিচ্ছিন্ন ৬৩ রানের জুটিটি এগিয়ে নিতে নামবেন তৃতীয় দিনে।
এর আগে নিজের আরেকটি ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেন মজিদ। আহত অবসরের সময় ১৫৯ রানে ছিলেন। এদিন ফিরেছেন ২৪৬ বলে ২০৫ রানে। ২২ চারের পাশাপাশি ৮ ছক্কায় ইনিংস সাজানো। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি এ ডানহাতি ব্যাটসম্যানের। সবমিলিয়ে প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে সপ্তম শতক।
২০১৪-১৫ মৌসুমে জাতীয় লিগে ঢাকা বিভাগের হয়ে ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে প্রথম ডাবল (২৫৩*) সেঞ্চুরিটি করেছিলেন মজিদ।
মজিদের ডাবলেই মূলত রানের পাহাড় গড়ে সেন্ট্রাল জোন। আগেরদিনের ৪ উইকেটে ৪০৬ রানে সকাল শুরু করে ৫৪৬ রানে থামে। উদ্বোধনী সাদমান (১১২) সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন মঙ্গলবারই। শুভাগত হোম ৫০ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছিলেন। বুধবার তিনি আউট হন ৭১ রানে। মজিদকে সঙ্গ দেন মোহাম্মদ শরিফ (৪১)।
ইস্টের হয়ে সোহাগ গাজী ৪টি ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন নিয়েছেন ২টি উইকেট।








