মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার ফল মিলে ঈদের নামাজে। তাই সকালেই আল্লাহর রহমতের আশায় ঈদগাহ মাঠে সমবেত হন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
সকাল থেকে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে টানা বৃষ্টি হলেও তা উপেক্ষা করেই ঈদুল ফিতরের নামাজে অংশ নেন হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির আহবান জানিয়ে শেষ হয় ঈদের নামাজ।
সকাল সাড়ে ৮টা দিকে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। এতে ইমামতি করেন চট্টগ্রামের জমিয়াতুল ফালাহ জামে মসজিদের খতিব অধ্যাপক মাওলানা জালালুদ্দিন আল কাদেরি।
আটটা ৪০ মিনিটে প্রধান জামাত শেষ হয়। এরপর মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির আহবান জানিয়ে মোনাজাত করা হয়।
রাষ্ট্রপতি, বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, মুসলিম দেশগুলোর কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করেন।
এর আগে সকাল ৭ দিকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদুল ফিতরের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন এ মসজিদেরই পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী।
নামাজে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার হাজার হাজার মুসল্লি। নামাজ শেষে মুসলিম উম্মার সংহতি আর দেশের মঙ্গল ও শান্তি কামনায় মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতের পর মুসল্লিরা সব দুঃখ-কষ্ট হতাশা ভুলে পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন।
চ্যানেল আই মসজিদ প্রাঙ্গণে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের প্রথম জামাত হয় সকাল ৮ টায়। সেসময় দেশ, জাতি ও মুসলিম ঊম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
বৃষ্টি উপেক্ষা করে আসা তেজগাঁওসহ আশপাশের এলাকার মুসুল্লিরা সেখানে ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ ভাগ করে নিতে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধনে একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন তারা।







