দ্বীপ জেলা ভোলায় এবার সূর্যমুখীর ভালো ফলন পেয়েছেন চাষীরা। তেলজাতীয় অন্যান্য ফসলের চেয়ে সূর্যমুখীর বীজ সহজলভ্য ও উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ভোলা সদর, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন ও চরফ্যাশনের বিস্তীর্ণ ফসলের ক্ষেতে এখন হলুদ সূর্যমুখীর সমারোহ। সবচেয়ে বেশী চাষ হয়েছে স্থানীয়, হাইসান, হাইব্রিড ও বারি সূর্যমূখী জাতের সূর্যমুখী। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন পাওয়া গেছে ভালো।
স্থানীয় সূর্যমুখী চাষিরা বলছে, এবারে এখানে সূর্যমুখীর চাষ বেশি হয়েছে। এর তেল আমরা খাবারে ব্যবহার করি আর বিক্রি করি।
রাইস ভ্যালু চেইন এর সহযোগিতায় গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার মাধ্যমে শতাধিক চাষি পেয়েছেন বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ।
কৃষি বিভাগ বলছে, নিয়মিত সূর্যমুখী আবাদ করা হলে উৎপন্ন তেল ভোলার জেলার চাহিদা মিটিয়ে অন্য জেলাগুলোতেও সরবরাহ সম্ভব।
ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক প্রশান্ত কুমার সাহা বলেন, কৃষকরা প্রতি বিঘায় ১০ থেকে ১২ মণ করে ফলন পাচ্ছে। সেই সাথে প্রতিমণ ১২ ’শ টাকার বেশি বিক্রি করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছে।
চলতি বছর জেলায় ১২ হেক্টর জমিতে দেশি ও হাইব্রিড জাতের সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। প্রতি হেক্টরের তেলবীজ থেকে প্রায় চারশ কেজি তেল উৎপন্ন করা সম্ভব।








