ভূমিকম্পের ক্ষতি কাটিয়ে উঠেছে নেপালের শিক্ষার্থীরা। দেশকে নতুন করে গঠনের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থার পরপরই শিক্ষাখাতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করায় এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। শিক্ষকরা বলছেন, আগের মতোই দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো।
নেপালের সিলভার মাউন্টেন স্কুল। নেপালের ৮০ বছরের ইতিহাসে চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল আঘাত হানা সবচেয়ে বড় মাত্রার ভূমিকম্পে এই স্কুলের একটি ভবন ২০ ফিট নিচে চলে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় অন্যান্য একাডেমিক ভবনও। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে ঘুরে দাঁড়িয়েছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি।
স্কুলের নির্বাহী পরিচালক সামির থাপা বলেন, নেপালের অবস্থা এখন বেশ ভালো। যোগাযোগ ব্যবস্থ্যার উন্নয়ন হয়েছে। আবাসন খাতেও বিনিয়োগ বেড়েছে। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার শেষ হয়ে দ্বিগুণ গতিতে কার্যক্রম চলছে।
একই অবস্থা অন্য স্কুল ও কলেজের ক্ষেত্রেও।
নেপালের সিভিল সোসাইটির সংগঠক শান্তা লাল মুলমি বলেন, ‘আপনারা নেপালের ইতিহাসের দিকে লক্ষ্য করলে দেখবেন, এখানকার মানুষেরা নিজেরাই সংগঠিত হয়। ভূমিকম্পের পরও তাই হয়েছে। শিক্ষায় আমরা খুবই মনোযোগী হয়েছি।’
শিক্ষকরা বলছেন, বিধ্বস্ত শিক্ষাখাতে যে বিনিয়োগ করা হয়েছে তার পরিমাণ গত কয়েক বছরের চেয়েও বেশি। আর এ কারণেই সম্ভব হয়েছে আবারও নতুন করে শুরু করা।







