এবার ফেসবুকে ভুয়া খবর ছড়ানো কঠোরভাবে দমন করার উদ্যোগ নিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। নিউইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে এমনটা জানিয়েছেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ।
সম্পতি ফেসবুকে ভুয়া খবরের নানা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে জাকারবার্গ জানান, বিষয়টিকে তারা খুবই গুরুত্বের সাথে নিয়েছেন এবং এই সমস্যা সমাধানে বেশকিছু ব্যবস্থা নিয়েছেন। এই পদ্ধতি প্রযুক্তিগত এবং দর্শনগত সবদিক থেকেই জটিল।
সাম্প্রতিক সময়ে শেষ হওয়া মার্কিন নির্বাচনের সময় প্রচলিত গণমাধ্যমের প্রচার করা আসল খবরের তুলনায় ফেসবুকে ভুয়া খবর বেশি বেশি প্রচার পেয়েছে বলে আলোচনা হয়। সমালোচকেরা অভিযোগ তুলছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে রাজনৈতিক বিষয়ে নানা ভুয়া খবর প্রকাশ করে মার্কিন নির্বাচনে প্রভাব ফেলেছে ফেসবুক।
তবে তা এক প্রকার পাগলামি বলে উড়িয়ে দিয়ে জাকারবার্গ জানিয়েছেন, ফেসবুককে তিনি সত্যমিথ্যার বিচারক বানাতে চান না, ফেসবুক জুড়ে থাকা এ ধরনের ধাপ্পাবজির পোস্ট সংখ্যায় ‘১ শতাংশেরও কম’।
জাকারবার্গ বলছেন, একজন ব্যবহারকারী কোন ধরনের পেইজ ফলো করেন এবং কারা তার বন্ধু- সে বিষয়টিও তার ফিডে ভুয়া খবরের আধিক্যের কারণ হতে পারে।
ফেসবুক যে অ্যালগরিদম নিয়ে কাজ করে, তাতে প্রাধান্য পায় জনপ্রিয় বিষয়গুলো। ব্যবহারকারী তার বন্ধুদের শেয়ার করা খবরের পোস্টগুলোও সরাসরি নিউজ ফিডে দেখতে পায়। বন্ধুরা ‘লাইক’ দিয়েছেন- এমন খবরও কখনও কখনও ফেসবুকের অ্যালগরিদম স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিউজ ফিডে হাজির করে। সত্যিকার অর্থে কোনটা সত্য আর কোনটা নয়- তার পার্থক্য করতে পারে না ফেসবুক অ্যালগরিদম।
ফেসবুকের পণ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডাম মোসেরি স্বীকার করেছেন, ফেসবুকে ভুয়া খবরটিই এখন আসল সমস্যা।
তিনি বলেন, ‘আমরা ফেসবুকের তথ্যকে খুব গুরুত্ব দিয়ে গ্রহণ করি। আমরা প্রকৃত যোগাযোগকে অধিক গুরুত্ব দিই এবং নিয়মিত ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কথা শুনি। নিউজফিডের মধ্যে এ ধরনের ভুয়া খবরের প্রবাহ ঠেকাতে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি। ভুয়া তথ্য শনাক্ত করার দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়টিতে আরও গুরুত্ব দিচ্ছে ফেসবুক।










