প্রিমিয়ার লিগের দলবদল হলেই ভেন্যু ধরে নেয়া হয় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম। ১৯৯২ সাল থেকে দলবদল হয়ে এসেছে সেখানে। গত দুই মৌসুমে দলবদল হয়েছে ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েজ’ ভিত্তিতে। হয়েছে অভিজাত হোটেলে। যেতে হতো না ক্রিকেটারদের। লটারি ভাগ্য ঠিক করে দিতো খেলোয়াড়দের ঠিকানা। ক্রিকেটারদের অপছন্দের এই পদ্ধতি থেকে ফিরে এসেছে উন্মুক্ত পদ্ধতির দলবদল। পাল্টেছে ভেন্যু। প্রথমবার দল বদল হলো হোম অব ক্রিকেট মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে। ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিসের (সিসিডিএম) কার্যালয়ে।
গত বছর সিসিডিএম কার্যালয় স্থানান্তরিত হয়েছে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম থেকে। শুক্রবার ভুল করে বাংলাদেশের রঙিন পোশাকের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা চলে গেলেন সেই বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামেই। জ্যাম ঠেলে যখন শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে এলেন ঘড়ির কাঁটা সাতটা ছুঁই ছুঁই। নির্ধারিত সময়ের শেষ ভাগে নাম লেখালেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জে। দলবদল নিয়ে জানালেন তার উচ্ছ্বাসের কথা, ‘আমি তো ভুল করে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে চলে গিয়েছিলাম। ওখানকার মজা অন্যরকম। দলবদল প্লেয়ারদের জন্য আনন্দের একটা দিন। সবাই আসে, দেখা হয়। একবারই সবার সাথে এভাবে দেখা হয়। সবসময়ই ভালো লাগে এই দিনটা।’
গত মৌসুমে মাশরাফি খেলেছিলেন কলাবাগান ক্রীড়া চক্রে। সঙ্গে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার বলতে পেয়েছিলেন আব্দুর রাজ্জাককে। এবার রূপগঞ্জ গড়ছে শক্তিশালী দল। মাশরাফি তাই এবার শিরোপার আশাই করছেন। টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ শরিফ, নাঈম ইসলামের মতো অভিজ্ঞদের সঙ্গে আছেন মাহমুদুল হাসান, হাসানু্জ্জামান, নাঈম ইসলাম জুনিয়র, পিনাক ঘোষের মতো তরুণ প্রতিভা।
ভারসাম্যপূর্ণ দল নিয়ে শিরোপার লড়াইয়ে নামতে চান মাশরাফি, ‘আমরা জাতীয় দলের যারা আছি, পুরো লিগ হয়তো খেলতে পারবো না। চেষ্টা থাকবে ভালো খেলার। টাকা খরচ করে টিম বানিয়েছে, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যই। ভারসাম্যপূর্ণ হয়েছে আমাদের দল। নতুন খেলোয়াড়দের সঙ্গে বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে দলে।’








