গৌরবোজ্জ্বল বিজয়ের ৫০ বছরে ভিয়েতনামের হ্যানয়স্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করা হয়েছে।
দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে রাষ্ট্রদূতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত, দূতাবাসে “বঙ্গবন্ধু ও মহান মুক্তিযুদ্ধ”-এর উপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা অনুষ্ঠান এবং ডকুমেন্টারি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয় ।
ভিয়েতনামে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ সকালে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচীর সূচনা করেন। দূতাবাসের কর্মকতা ও কর্মচারীরা সপরিবারে এবং ভিয়েতনামে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য অতিথিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী এবং বিজয়-এর সূবর্ণ জয়ন্তীর প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে রাষ্ট্রদূত মিজ সামিনা নাজ, বিশেষ অতিথি ভিয়েতনামের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পদস্থ প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত তাও থান হুং, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডীন ও প্যালেস্টাইনের রাষ্ট্রদূত ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিদের-কে নিয়ে দূতাবাসে “বঙ্গবন্ধু ও মহান মুক্তিযুদ্ধ”-এর উপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী -এর শুভ উদ্বোধন করেন।
পরে বাংলাদেশ দূতাবাস-এর কনফারেন্স রুমে বিজয় দিবসের তাৎপর্য উল্লেখ করে এক বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান ডকুমেন্টারি প্রদর্শন ও মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত তাও থান হুং, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডীন ও প্যালেস্টাইনের রাষ্ট্রদূত সাদি সালামা, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলংকার রাষ্ট্রদূতসহ ভিয়েতনামের ডিপ্লোমেটিক কোরের সদস্যরা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।







